কলকাতা: সই জালিয়াতি মামলায় সিআইডির (CID) তলব ঘিরে রাজনৈতিক চাপের মধ্যেই নতুন আইনি জটিলতায় পড়লেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে ত্রিপুরার খোয়াই আদালত (Tripura Khoai Court)। আগামী ২২ জুন আদালতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে তৃণমূল (TMC) সাংসদকে।
সূত্রের খবর, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে খোয়াই থানায় দায়ের হওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সমন জারি করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গের ভোট-পরবর্তী হিংসার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ রয়েছে। সেই মামলার শুনানির সূত্র ধরেই আদালত তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন: এখনই কংগ্রেসে যোগ নয়! দিল্লির বৈঠকের পর নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মমতা-রাহুল শিবিরে
জানা গিয়েছে, সমন সরাসরি ডাকযোগে পাঠানো হয়নি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আলিপুর আদালতের মাধ্যমে সমন পৌঁছে দেওয়া হয়। সেই সূত্রে আলিপুর আদালতের এক বেলিফ কলকাতার ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে যান, যা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঠিকানা হিসেবেও পরিচিত।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সময় দিল্লিতে থাকায় তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে সমন দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানা গিয়েছে। পরে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ নোটিসটি গ্রহণ করেন বলে সূত্রের দাবি।
এদিকে, সই জালিয়াতি মামলায় সিআইডির একাধিক তলবেও এখনও হাজিরা দেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কখনও শারীরিক অসুস্থতা, কখনও দিল্লিতে রাজনৈতিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে সময় চেয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ওই মামলায় আইনি সুরক্ষা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।
এই পরিস্থিতিতে ত্রিপুরা আদালতের নতুন সমনকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই সমন নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।







