skip to content
Monday, July 22, 2024

skip to content
HomeআজকেAajke | উপাচার্য নিয়োগের রাশ রাজ্যপাল নয়, রইল মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই
Aajke

Aajke | উপাচার্য নিয়োগের রাশ রাজ্যপাল নয়, রইল মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই

তাঁরা তিনটে নাম পাঠাবেন, মুখ্যমন্ত্রী একজনকে বেছে নেবেন

Follow Us :

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এক অদ্ভুত ধ্যাষ্টামো আমরা দেখে যাচ্ছিলাম, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে এক অকারণ জটিলতা। রাজ্য সরকার, শিক্ষা দফতর আর রাজ্যপাল দু’ ধারে, ষাঁড়ে যেমন লাল কাপড় দেখলে খেপে যায়, আমাদের রাজ্যপাল সেই হাতেখড়ি দেওয়ার কিছুদিন পর থেকেই রাজ্য সরকার, মুখ্যমন্ত্রী শুনলেই খেপে যান। আর দুই বিবদমানের মহাসংগ্রামের মধ্যে পড়ে থাকে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা। ইনি উপাচার্য বসিয়ে দিলে উনি মাইনে দেওয়াই বন্ধ করেন, উনি বসালে ইনি ক্ষুর ঘষতে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে এসব চলছিল আর মামলাও চলছিল। তো সেই মামলার রায় এসেছে, বলা হয়েছে যে একটা সার্চ কমিটি তৈরি হবে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইউ ইউ ললিতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ললিত সব ক’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটাই কমিটি গঠন করতে পারেন। আবার আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আলাদা আলাদা কমিটিও গঠন করা যেতেই পারে। কমিটিতে প্রয়োজনে আরও চার বিশেষজ্ঞকে রাখতে পারেন চেয়ারম্যান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদের জন্য তিনটে করে নাম বাছাই করবে সার্চ কমিটি। সেই তিনটে নাম তারা মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠাবে। মুখ্যমন্ত্রী ওই তিনটে নামের মধ্যে থেকে একটি নাম বাছবেন। সেই নাম তিনি রাজভবনে পাঠাবেন। তাঁকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করবেন রাজ্যপাল। তিনিই রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। তবে সার্চ কমিটির বাছাই করা নাম যদি মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দ না হয়, তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন। আবার সার্চ কমিটি প্রস্তাবিত তিনটি নামের মধ্যে থেকে মুখ্যমন্ত্রী যাঁকে বাছবেন, রাজ্যপালের যদি তাঁকে পছন্দ না হয়, তিনিও শীর্ষ আদালতে যেতে পারেন। আজ এটাই বিষয় আজকে।

রায় আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন এটা রাজ্য সরকারের জয়। তো যে রায়ই আসুক না কেন, রাজ্যের মন্ত্রীর তো এটাই বলার কথা, একে নিয়মমাফিক বিবৃতি বলা হয়। তো দেখে নেওয়া যাক আসলে এই রায়ে অবস্থার কতটা পরিবর্তন হল? বা আদৌ কোনও পরিবর্তন হল কি না। এমনিতে সাদা চোখে দেখলে সার্চ কমিটির বিশেষজ্ঞরা তিনজনের নাম পাঠাবেন উপাচার্য পদের জন্য, তাঁরা তো শাহজাহান শেখ কিংবা জমি মাফিয়া দেবাশিস মজুমদারের নাম পাঠাবেন না। তাঁরা নিশ্চিতভাবেই একজন শিক্ষাবিদ, যিনি এই কাজ করতে সক্ষম, সেই পড়াশুনো বা ডিগ্রি তাঁর আছে, এমন কারও নামই পাঠাবেন।

আরও পড়ুন: Aajke | উল্টা চোর কোতোয়াল কো ডাঁটে?

তাঁরা তিনটে নাম পাঠাবেন, মুখ্যমন্ত্রী একজনকে বেছে নেবেন। ভালো। এ পর্যন্ত তো ঠিকই ছিল, কিন্তু এরপরে সেই নাম আবার রাজ্যপালের কাছে যাবে, উনি মুখ্যমন্ত্রীর নাম রাখতেও পারেন, ফেলেও দিতে পারেন। কিন্তু তাঁকে কারণ দেখাতে হবে। সেখানেও কি খুব বেশি সমস্যা? দুরাত্মার কি কারণের, ছলের কোনও অভাব হয়? তাহলে আবার সেই ঘুরেফিরে এক অচলাবস্থা। তাহলে নতুনটা কী হল? মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের যে দ্বৈরথ তাকে থামানোর কি কিছু আছে এই রায়ে? না নেই। সাফ বলা আছে, দুজনেই দুজনের পছন্দ নাকচ করে যে কোনও মুহূর্তে শুম্ভ-নিশুম্ভের রোলে নেমে পড়তে পারেন। এদিকে রায়ের পরে ব্রাত্য বসু যা বলেছেন, তা আরেকবার পড়ে দিই, ‘‘উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের যে বক্তব্য ছিল, সুপ্রিম কোর্ট তার নির্দেশে সে কথাই বলেছে। আজকের নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত প্রাক্তন বিচারপতি ইউ ইউ ললিতের নেতৃত্বে সার্চ কমিটি গঠিত হবে। সেই কমিটিই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে উপাচার্য পদের জন্য তিনজনের নাম প্রস্তাব করবে। মুখ্যমন্ত্রী তার মধ্যে থেকে নিজের পছন্দমতো নাম বেছে রাজ্যপালের কাছে পাঠাবেন। তার পর রাজ্যপাল উপাচার্য় নিয়োগ করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর নাম পছন্দ না হলে তিনি তা-ও জানাবেন। আবার গণতন্ত্রের জয় হল।’’ শেষ লাইনে এসে ওই মোক্ষম কথাটি তিন বলে ফেলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো নাম না পছন্দ হলে তিনি তাও জানাবেন, জানাবেন বলে ব্রাত্য বসু তো থেমে গেছেন, কিন্তু রায় পড়ে যা বুঝলাম তাতে করে উনি মানে রাজ্যপাল ওই সুপারিশ ফিরিয়েও দিতে পারেন, তাহলে আগের থেকে পরিবর্তনটা ঠিক কী হল? আমরা আমাদের দর্শকদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে মুখ্যমন্ত্রী সার্চ কমিটির সুপারিশ থেকে একজনের নাম রাজ্যপালকে পাঠাতেই পারেন, কিন্তু তাকে পদে বসানো আটকে দিতেই পারেন রাজ্যপাল। তার মানে আবার আমাদের বাংলার শিক্ষাক্ষেত্রে অরাজকতার সুযোগ রয়েই গেল। আপনাদের মতামত কী? শুনুন মানুষজন কী বলেছেন।

সার্চ কমিটিতে বিশেষজ্ঞরা থাকবেন, তাঁদের সুপারিশ অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী একজনকে নিয়োগ করতে বলবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে। রাজ্যপাল আনুষ্ঠানিকভাবে তা করবেন। এ পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু রাজ্যপালের পদে যতদিন দিল্লির সরকারের কাঠপুতুল বসে থাকবে ততদিন এই রাজ্যপালের পছন্দ অপছন্দ এক বিশেষ রাজনৈতিক কারণেই কাজ করবে, হ্যারাস করবে রাজ্য সরকারকে। কাজেই সর্বোচ্চ আদালতের রায় পড়তে ভালোই, কিন্তু তা দিয়ে কতটা সমস্যার সমাধান হবে তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Video thumbnail
TMC | 21 July | ২১ জুলাই, মঞ্চে এখন কী হচ্ছে? দেখুন Live
57:20
Video thumbnail
TMC | 21 July | প্রথম জয়ের পরেই একুশের মঞ্চে কী বললেন মধুপর্ণা ঠাকুর?
52:11
Video thumbnail
TMC | 21 July | Akhilesh Yadav | ২১ জুলাই মঞ্চ, অখিলেশ যাদব কী বললেন?
30:17
Video thumbnail
TMC | 21 July | বিরাট চমক! একুশের মঞ্চে এরা কারা? দেখুন
03:22:11
Video thumbnail
TMC | 21 July | লোকসভা থেকে উপনির্বাচন, জয়ের স্বাদ নিতে একুশের মঞ্চে উঠবে সবুজ ঝড়!
01:24:10
Video thumbnail
NDA | উত্তরপ্রদেশের পর বিহার, NDA-র ফাটল চওড়া হচ্ছে? কী হবে দিল্লি সরকারের?
01:55:21
Video thumbnail
Good Morning Kolkata | দেখে নিন আজ সকালের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি
01:27:51
Video thumbnail
Bangladesh Protests Live | সংরক্ষণ রায় খারিজ! বাংলাদেশে বিরাট আপডেট
08:57:31
Video thumbnail
TMC | Mamata Banerjee | ২১শে জুলাই তুরুপের তাস! কী বার্তা দেবেন নেত্রী? আভাস দিলেন এই নেতা
01:12:16
Video thumbnail
Mamata Banerjee | Bangladesh | বাংলার দরজায় বাংলাদেশ, কড়া নাড়লে কী করবেন মমতা?
06:45:46