skip to content
Tuesday, July 16, 2024

skip to content
HomeআজকেAajke | হেরে গিয়ে বাংলাকে ভাতে মারার চক্রান্ত করছেন মোদিজি
Aajke

Aajke | হেরে গিয়ে বাংলাকে ভাতে মারার চক্রান্ত করছেন মোদিজি

বাঙালি বশ্যতা শিকার করেনি কারও কাছে, করবেও না কোনও দিন

Follow Us :

কোনওক্রমে গদি সামলে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়েই নিজের প্লেনে চেপে সোজা ইতালি, নির্বাচনের সময়ে বলেছিলেন নির্বাচনের ফল আসলে পাপ্পু যায়েগা মামাবাড়ি, রাহুল যাবে ইতালি, ইঙ্গিত খুব সাফ। তো পাপ্পু তো দেশেই আছেন, মোদি চলে গেলেন ইতালি। উনি গিয়েছিলেন জি সেভেন বৈঠকে যোগ দিতে, কারা এই জি সেভেন? কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, ইউনাইটেড কিংডম, ইউনাইটেড স্টেটস আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। মানে সাতটা দেশ আর একটা ইউরোপের সংগঠন। ১৯৭৩ সাল থেকে এই গোষ্ঠী মূলত নিজেদের স্বার্থ আর বিশ্ব বাণিজ্যকে মাথায় রেখে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, এই বড়লোক দেশগুলো যেখানেই তাদের বাজার দেখে, তাদের রাষ্ট্রপ্রধানদের ডেকে তেল দেয়, এবারে তারাই নেমন্তন্ন করেছিল। মোদিজি গিয়েছিলেন, না কোনও ভাষণের কোনও ছবি নেই, দেনওনি, দেওয়ার কথাও নয়, যা ছবি সে তো এসেছে ওই জর্জিয়া মেলনির কাছ থেকে উনিই পোস্ট করেছেন হ্যাশট্যাগ মেলোডি, ছবিটা দেখে নিন। তো তিনি ইতালি ঘুরে ফিরে এসেছেন, ওনার ইচ্ছে হবে আবার যাবেন, আর শিল্প ইত্যাদি যা যা হওয়ার তা তো হবে আম্বানি, আদানিদের। কিছুদিন আগেই মোদিজি ভুটানে গিয়েছিলেন, ব্যবস্থা করেই এসেছিলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে আদানি গেলেন, বেশ বড় বড় কিছু প্রজেক্টে সইসাবুদ করে। কিন্তু সেই মোদিজি আমাদের রাজ্যের মন্ত্রীদের বিদেশ যাওয়া তো ছেড়েই দিন এ রাজ্যে বসে অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হাইকমিশনার নিকোলাস ম্যাকাফের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তিন মন্ত্রীর বিনিয়োগ সংক্রান্ত বৈঠক নরেন্দ্র মোদি সরকার আটকে দিয়েছে। মানে উনি ঘুরবেন বেড়াবেন, আদানি আম্বানি ব্যবসা করবে কিন্তু রাজ্যে বিনিয়োগ আসতে দেওয়া হবে না। সেটাই বিষয় আজকে, হেরে গিয়ে বাংলাকে ভাতে মারার চক্রান্ত করছেন মোদিজি।

এ আজ থেকে নয়, নতুন কিছুই নয়, প্রথমে টাকা আটকে রাখা হল মনরেগার টাকা, আবাস যোজনার টাকা। শুভেন্দু সুকান্ত বলে বেড়ালেন রাজ্য সরকার এই টাকা নয়ছয় করেছে, তাই টাকা বন্ধ, লোম ওঠা কিছু সাংবাদিকও সুর মেলালেন, আছে আছে তথ্য আছে, ঘণ্টা আছে। নির্বাচন শেষ হতেই নড়বড়ে সরকার আবাস যোজনার টাকা পাঠিয়েছে, মনরেগার টাকাও পাঠাবে, পাঠাতেই হবে, দেশের টাকা, কারও বাপের নয়। আবাস যোজনার টাকা যদি নয়ছয় হয়েই থাকে তাহলে নির্বাচনের পরেই সে টাকা এল কী করে? জবাব নেই।

আরও পড়ুন: Aajke | বিজেপিতে কোন্দল চলছে চলবে

এবারে রাজ্য তাদের নিজেদের উদ্যোগে বিনিয়োগ আনার ব্যবস্থা করছে, তারা কথাবার্তা বলে একটা বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক করেছে। সুন্দরবন-সহ রাজ্যের একাধিক স্থানে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করতে আজ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী শশী পাঁজার সঙ্গে বৈঠক করার অনুমতি চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি দলটি। কিন্তু বিদেশ মন্ত্রকের ওশানিয়া শাখার তরফে ডেপুটি হাইকমিশনারের কাছে একটি মেসেজে রাজ্যের তিন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই অ্যাডভাইস লেটার পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রোটোকল শাখাকেও। মানে মোদিজি চাইবেন, বিদেশে যাবেন, সেলফি তুলবেন, চলে আসবেন কিন্তু আমাদের রাজ্যে বিনিয়োগ আসতে দেওয়া হবে না। এর আগে এরকম অভিযোগও উঠেছে যে অন্য বিদেশি বিনিয়োগ আসতে চাইলেও তাকে আটকানো হয়েছে, বলা হয়েছে অন্য রাজ্য বেছে নিতে। এবারের ঘটনায় সেই অভিযোগ যে সত্যি তা প্রমাণিত হল। তৃণমূল রাজ্যসভা সদস্য গোখলের দাবি, ‘‘কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের বলে দেওয়া হচ্ছে, যদি বিনিয়োগ সুষ্ঠুভাবে করতে চান, গুজরাতে করুন।’’ অন্য আরেকজন রাজ্যসভা সদস্য সাগরিকা ঘোষ জানিয়েছেন, ‘‘শুধু বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিনবার বিদেশযাত্রা আটকেছে এই সরকার। যা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার উপরে আক্রমণ।’’ আসলে বিজেপি বার বার মরিয়া চেষ্টার পরে আসন বাড়ানো তো দূরস্থান, তাদের আসন কমে যাচ্ছে, সেই হতাশা থেকেই তারা এবার আরও বেশি করে ভাতে মারার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, এই রাজ্যে বসে শুভেন্দু সুকান্তরা বলবেন রাজ্যে শিল্প হচ্ছে না, আর অন্যদিকে সরকার যেভাবে, যতভাবে পারা যায় শিল্প প্রচেষ্টাকে বিনিয়োগকে আটকানোর চেষ্টা করবে। আমরা আমাদের দর্শকদের জিজ্ঞেস করেছিলাম যে মোদি সরকার রাজ্যকে বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আনতেও বাধা দিচ্ছে, তারা আমাদের রাজ্যকে ভাতে মারতে চায়, রাজ্যের মানুষ কি বাংলার প্রতি এই বঞ্চনা মেনে নেবেন? শুনুন মানুষজন কী বলেছেন।

সেই কবে থেকে একই ছবি এই বাংলার, দিল্লিতে যে সরকারই বসেছে কোনও না কোনও অজুহাতে আমাদের শিল্প সম্ভাবনাকে আটকানোর চেষ্টা করেছে, আমাদের রাজ্যের বিপর্যয়ে পাশে দাঁড়ায়নি, এবং এখনও সেই বাংলা বঞ্চিত স্লোগান নিয়েই রাজ্যের শাসকদলকে প্রতি পদে লড়ে যেতে হচ্ছে। কংগ্রেস আমলে আমরা দেখেছি, যতদিন তাঁরা ক্ষমতায় ছিলেন মাসুল সমীকরণ নীতি বজায় ছিল, এই মোদি-শাহ সরকারও একইভাবে সেই বঞ্চনার ধারাকে বজায় রাখছেন। কেবল বশ্যতা স্বীকার করতে হবে এটাই তো একমাত্র শর্ত, আর সেখানেই ভুল করছেন, বাঙালি বশ্যতা শিকার করেনি কারও কাছে, করবেও না কোনও দিন।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Video thumbnail
BJP | যে যার নিজের ছন্দেই কি চলছেন বাংলার বিজেপি নেতারা?
00:00
Video thumbnail
Kultaali | ঘরের খাট সরালেই গোপন দরজা! সুড়ঙ্গ ধরে কোথায় যাওয়া যায় দেখুন!
00:00
Video thumbnail
Sukanta Majumdar | দলের মধ্যেই তৃণমূলের দালালরা? ক্ষোভের মুখে সুকান্ত
00:00
Video thumbnail
BJP | সামনে ফের ৬টি উপনির্বাচন, হাল খারাপ বিজেপির?
00:00
Video thumbnail
SSC | পিছল SSC মামলার শুনানি, ভবিষ্যৎ কী ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর?
00:00
Video thumbnail
West Bengal Madhyamik | মাধ্যমিক পরীক্ষার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনে নতুন নিয়ম জানেন?
00:00
Video thumbnail
Sukanta Majumdar | দলের মধ্যেই তৃণমূলের দালালরা? ক্ষোভের মুখে সুকান্ত
02:47
Video thumbnail
Kultaali | ঘরের খাট সরালেই গোপন দরজা! সুড়ঙ্গ ধরে কোথায় যাওয়া যায় দেখুন!
03:46
Video thumbnail
Top News | কাটল না জটিলতা, পিছল সুপ্রিম কোর্টে ৩ সপ্তাহ পিছল SSC মামলার শুনানি
39:18
Video thumbnail
BJP West Bengal | বিরাট ফাটল? শুভেন্দু একা, দিলীপ-সুকান্ত একসঙ্গে!
03:54:19