skip to content
Sunday, July 21, 2024

skip to content
HomeআজকেAajke | রাজ্যপাল বলেছেন উনি আনসেফ
Aajke

Aajke | রাজ্যপাল বলেছেন উনি আনসেফ

রাজ্যপাল আদতে খানিকটা অ্যাপেনডিক্স-এর মতো, থেকে লাভ নেই, না থেকে ক্ষতি নেই

Follow Us :

খবরে প্রকাশ আমাদের রাজ্যপাল, যিনি আমাদের রাজ্যের রাজধানীতে ২৭ একর জমিতে ৮৪ হাজার স্কোয়ার ফিটের প্যালেসে বসে আছেন, সেই রাজভবনের গেটে এবং ভিতরে টোয়েন্টি ফোর ইন্টু সেভেন পাহারাদারি আছে পুলিশের। ওনার খানসামা বেয়ারা, কাজের লোকজন এবং অফিস স্টাফ মিলিয়ে কমসম দু’ আড়াইশো মানুষ আছে, সেখানে বসে উনি জানিয়েছেন, উনি আনসেফ, উনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। অসাধারণ ব্যাপার তাই না, এই ইন্দ্রলুপ্ত ভাঁড়ের কথা শুনলে মনে হয় সাধারণ বোধবুদ্ধিও ওনার নেই। কিসের নিরাপত্তা চাই? আবার নিজেকে উনি সুভাষচন্দ্র বসুর অনুগামী বলে মনে করেন। রাজভবনে সাধারণ মানুষ ঢুকতে পারেন? আপনারা কেউ পারবেন সোজা গড়গড়িয়ে ঢুকে যেতে, পারবেন না পুলিশে আটকাবে। বাইরের লোক ঢুকবে না, মানে ঢুকতেই পারবে না, ভেতরের লোক আপনার স্টাফ, কর্মচারী, এবার আপনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন, কেবল অভাব বোধ করছেন সেটা বলেই ক্ষান্ত নন, উনি আপাতত যে পুলিশ পোস্টিং আছে তাকে পরিবর্তন করা কথাও বলেছেন। কী কাণ্ড, কলকাতা পুলিশের একদল তাহলে কি আমাদের মহামহিম রাজ্যপালের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে? নাকি তাঁরা আপনার আনন্দ অনুষ্ঠানে ঠিকঠাক ব্যবস্থা করার পক্ষে যথেষ্ট সহযোগিতা করছেন না? কেসটা কী? দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে খুঁজে দেখলাম, দেশের কোনও রাজ্যের কোনও রাজ্যপাল এমন অভিযোগ করেননি। কতবার রাজ্যপালকে নিয়ে বিতর্ক হয়েছে, ধরমবীর গো ব্যাক তো এই রাজ্যের মানুষ দেখেছে জানে, কিন্তু গেটে বসে থাকা কলকাতা পুলিশ তাঁর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক এরকম সাংঘাতিক কথা তিনি বললেন কেমন করে? কিন্তু বলেছেন আর তাই সেটাই আমাদের বিষয় আজকে, রাজ্যপাল বলেছেন উনি আনসেফ।

রাজ্যপাল আনসেফ, কীভাবে জানাননি, কোনও প্রমাণ? দেননি। কেবল ওনার মনে হয়েছে তাই উনি এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে, যে মুখ্যমন্ত্রীকে উনি নাকি রাজভবনেই ঢুকতে দেবেন না বলে আগেই জানিয়েছেন। আসলে উনি চাইছেন গেটে গেটে সিআরপিএফ বসুক, দিল্লি থেকে পাঠানো সিআরপিএফ, যাঁরা ওনার যাবতীয় আনন্দ অনুষ্ঠানে বাধা হয়ে উঠবেন না।

আরও পড়ুন: Aajke | হেরে গিয়ে বাংলাকে ভাতে মারার চক্রান্ত করছেন মোদিজি

ধরুন গেটে সিআরপিএফ, আবার একজনের শাড়ি ধরেই টান দিলেন, আমি বলছি না উনি টান দিয়েছেন, আমি বলছি আবার কেউ অভিযোগ করল আমার শ্লীলতাহানি হয়েছে, যেমনটা ক’দিন আগেই ওই রাজভবনের এক মহিলা কর্মচারী অভিযোগ করেছেন, সত্যি মিথ্যে তো পরে প্রমাণ হবে কিন্তু তাও হলে সেই মহিলা কি তাঁর অভিযোগ জানিয়ে নির্বিঘ্নে গেট দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারবেন? নাকি সেখানে কলকাতা পুলিশ না থাকায় সেই মহিলার অসুবিধে হবে। আপনি কতটা আনসেফ কীভাবে আনসেফ জানি না কারণ আপনি সেসব বৃত্তান্ত লেখেননি, কিন্তু ওই মহিলা যে রাজভবনের ভিতরেই আনসেফ সেটা তো উনি লিখিত জানিয়েছেন, সেরকম কিছু আটকাতেই কি এই নয়া নৌটঙ্কি? একটা রাজ্যের সাংবিধানিক মাথা এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে? কোনও সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়া দেশের অন্যতম এক সংস্থা কলকাতা পুলিশের নামে এই কথা বলে দিতে পারেন। আর ভাবুন এটা যদি সত্যি হয় তাহলে তো এখনই তদন্ত হওয়া উচিত, খতিয়ে দেখা উচিত কলকাতা পুলিশের যে দলটি এখন গেট পাহারাতে থাকে তারা কীভাবে ওনার নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করল? উনি সম্ভবত মনে করছেন যে এই পুলিশের দল তাঁর উপরে নজরদারি করছে, তাহলেও সেটা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত, উনি চুপকে সে পাহারাদার দলটিকে পাল্টে দিতে বলবেন, তার পেছনে আরও কোনও গূঢ় রহস্য আছে কি না সেটাও তো জানা দরকার। খোঁজখবর নিয়ে জানলাম প্রায় শ’দেড়েক সুরক্ষা কর্মী এই পাহারাদারির কাজে আছেন, তাঁদের সততা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা নিয়ে প্রশ্ন তোলা তো কম কথা নয়। আমরা আমাদের দর্শকদের কাছে প্রশ্ন রেখেছিলাম যে শহরের এক্কেবারে মধ্যে দেড় দুশো সুরক্ষা কর্মী ঘেরা বিশাল প্রাসাদে থাকা আমাদের রাজ্যপাল জানিয়েছেন তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন, মানে তাঁর নিরাপত্তা নেই। অবশ্য তিনি এই ব্যাপারে কোনও তথ্য প্রমাণও হাজির করেননি। রাজ্যের সাংবিধানিক মাথা রাজ্যপালের এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন অভিযোগ করা কি মানায়? শুনুন মানুষজন কী বলেছেন।

রাজ্যপাল আদতে খানিকটা অ্যাপেনডিক্স-এর মতো, থেকে লাভ নেই, না থেকে ক্ষতি নেই। এটাই মনে করা হত দীর্ঘদিন, মাঝে মধ্যে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতেন, মাঝেমধ্যে বিধানসভায় অধিবেশনের প্রথম দিনে, বাকিটা বিভিন্ন কালচারাল প্রোগ্রাম আলো করে। কিন্তু ক্রমশ এই রাজ্যপাল পদটি হয়ে উঠল এক অস্ত্র, তাকে ব্যবহার করে দিল্লির সরকার রাজ্যের নির্বাচিত সরকার আর মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলাই এখন কাজ, আমাদের রাজ্যের রাজ্যপাল তার ব্যতিক্রম নয়। কেবল দেখতে হবে ওনার সেই রাজভবনে যেন আমাদের ঘরের দিদি বোনদের নিরাপত্তা বজায় থাকে, ওনার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন আসলে নৌটঙ্কি, কিন্তু যে মহিলা কাঁদতে কাঁদতে সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসছিলেন, তাঁর নিরাপত্তা যেন বজায় থাকে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Video thumbnail
Bangladesh protests | বাংলাদেশ থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে ভারতে ঢুকল ৩৩ পড়ুয়া, অভিজ্ঞতা শুনলে ভয় পাবেন
02:26:40
Video thumbnail
21st July TMC | ২১শে জুলাইয়ে এলাহি আয়োজন সাজো সাজো রব তিলোত্তমায় বিশেষ কী রয়েছে ? দেখুন লাইভ
45:11
Video thumbnail
Bangladesh protests | শুধুই মৃত্যু বাংলাদেশ কোন পথে? হাসিনা কী করবেন?
03:54:10
Video thumbnail
Bangladesh protests | এই মৃত্যু উপত্যকা বাংলাদেশ না শুধুই মৃত্যু, আগুন, গুলি , এ কোন বাংলাদেশ !
08:54:01
Video thumbnail
Bangladesh protests | লাশ গুনে ক্লান্ত বাংলাদেশ ! মৃত্যু উল্লাসের শেষ কোথায়?
07:21:30
Video thumbnail
Sheikh Hasina | Bangladesh protests | সংরক্ষণ মামলায় বড় সিদ্ধান্ত হাসিনার !বাংলাদেশের বিরাট আপডেট!
06:47:21
Video thumbnail
Yogi Adityanath | NDA | যোগীর ভুলেই কি ভাঙবে NDA? বিরাট খবর
04:26:30
Video thumbnail
TMC 21 July | ২১শে জুলাই সভাস্থলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কী বললেন শুনুন
04:51:21
Video thumbnail
Kolkata Parking | শহরে বেআইনি পার্কিংয়ের রমরমা হাতেনাতে ধরল কলকাতা টিভি
02:35:13
Video thumbnail
আজকে (Aajke) | অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে কি না সেটাই দেখতে হবে
03:41:01