Saturday, May 16, 2026
HomeScrollসনদে বসার পর ঘরে-বাইরে তারেকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে
Tarique Rahman

সনদে বসার পর ঘরে-বাইরে তারেকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে

১৭ বছরের নির্বাসন শেষে রাজসিক প্রত্যাবর্তন

ওয়েব ডেস্ক: ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে রাজসিক প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশ নির্বাচনে (Bangladesh Election 2026) সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়েছে বিএনপি। ২১০টি আসন এসেছে তাদের ঝুলিতে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন বিএনপি প্রধান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, তারেক রহমানের (Tarique Rahman) নেতৃত্বে বিএনপি এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে এটা স্পষ্ট যে, প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দু যুগ পর ফের ক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি। তবে নতুন সরকার কীভাবে গঠন হবে বা তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের ফলাফল আগেই স্থগিত করা হয়।২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শুক্রবার এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের ফলাফল আগেই স্থগিত করা হয়। আজ শুক্রবার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফলাফল ঘোষণার সমাপনী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।

তারেকের এই কামব্যেকর পিছনে রয়েছে- প্রচারপর্বের শুরু থেকেই তিনি বাংলাদেশের জনগণ, তাঁদের দৈনন্দিন চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছেন। প্রচারে গিয়েছেন স্ত্রী-কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম একে ‘ফ্যামিলি ম্যান কৌশল’ বলে উল্লেখ করেছিল। ‘আমি তোমাদেরই লোক’— এই বার্তা দিয়ে তারেক বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করেছেন বার বার। মসনদে বসার পর বাংলাদেশের ঘরে-বাইরে তারেকের জন্য অন্তত পাঁচটি বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। কিন্তু কুর্সিতে বসার পর তারেকের ভবিষ্যতের পথ খুব একটা ‘মসৃণ’ হবে না বলেই মনে করছেন বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহালদের একাংশ। অন্তত প্রথম পর্বে বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা তাঁকে করতে হতে পারে।খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পরে তাঁর অন্ত্যেষ্টিতে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। কূটনীতিকদের একাংশের মতে, তখন থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ‘স্বাভাবিক’ হওয়ার দিকে এগিয়েছে। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় সেই বিষয়টি আরও ত্বরান্বিত হতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রীর কত সম্পত্তি রয়েছে জানেন?

অস্থির, অনিশ্চিত সময়ে বিএনপি-র উপর বাংলাদেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছেন, তার মর্যাদা দেওয়া তারেকের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অত্যাচার নিয়ে একাধিক বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। এই নিপীড়ন বন্ধ করে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশু উন্নতিকে অগ্রাধিকার দিলেই জনমনে ইতিবাচক বার্তা দিতে পারবেন তারেক। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে প্রশ্নটি উঠেছে, তা আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তারেক নিজে একাধিক বার দাবি করেছেন, কোনও রাজনৈতিক দল বা তার কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার পক্ষপাতী তিনি নন। কেউ দোষ করলে আইন মেনে তার শাস্তি নিশ্চিত করাই হবে।তিনি কি আওয়ামী লীগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন? এই প্রশ্ন ঘুরছে।

সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট হয়েছে বাংলাদেশে। এই সনদের ৮৪টি প্রস্তাবের মধ্যে অন্তত তিনটিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি। গণভোটের ফল সনদের পক্ষে গেলে তারেককে ওই তিনটি ধারা নিয়েও ভাবতে হবে। জুলাই সনদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে একই ব্যক্তি একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় প্রধানের পদে থাকতে পারবেন না। অধিকাংশ দল একমত হলেও বিএনপি-সহ কয়েকটি দল এতে আপত্তি জানায়। তারেকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎও এই প্রস্তাবের উপর নির্ভর করছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী হলে বিএনপি চেয়ারম্যানের পদ তাঁকে ছাড়তে হতে পারে। এ ছাড়া, দেশের সংবিধানের উপরে জুলাই সনদের প্রাধান্য, সনদ নিয়ে আদালতে আপত্তি না-জানানোর মতো বিধানের বিরোধিতাও করেছে তাঁর দল।

বাংলাদেশে ভোটের ঠিক আগে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করেছিল ইউনূসের সরকার। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের পণ্যে শুল্কের পরিমাণ ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করে দিয়েছে। কিন্তু তার চড়া ‘মূল্য’ও দিতে হয়েছে ঢাকাকে। আমেরিকার অনেক দাবি মুখ বুজে মেনে নিতে হয়েছে। ছ’হাজারের বেশি মার্কিন পণ্য থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে বাংলাদেশকে। এর ফলে মার্কিন পণ্যের শুল্ক থেকে রাজস্ব বাবদে আয় অনেক কমে যাবে। ধাক্কা খেতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ক্ষমতায় আসার পরে এই পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্যও তারেককে সাবধানে পা ফেলতে হবে।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto