Sunday, August 16, 2026
HomeScrollমুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়!
Mukun Roy

মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়!

অতীতের কথা তুলে ধরে মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন কুণাল ঘোষের!

ওয়েব ডেস্ক : রবিবার গভীর রাতে প্রয়াত হয়েছে একদা ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায় (Mukul Roy)। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যাসহ একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এই বর্ষীয়ান নেতা। ভর্তি ছিলেন নিউটাউনের এক বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। এক অজানা জগতে পারি দিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোক জ্ঞাপন করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

তিনি সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, “মুকুল রায়ের প্রয়াণ পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অধ্যায়ের অবসান ঘটালো। দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই বর্ষীয়ান নেতা রাজ্যের জনজীবন ও রাজনৈতিক যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্তম্ভ হিসেবে, দলটির শুরুর বছরগুলোতে সংগঠন বিস্তার ও সুসংহত করার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। জনজীবনে তাঁর এই নিষ্ঠা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হবে। আমি তাঁর পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং অনুরাগীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তাঁর আত্মা চিরশান্তি লাভ করুক।”

 

আরও খবর : প্রয়াত ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায়

তৃণমূল নেতা কণাল ঘোষও (Kunal Ghosh) শোকজ্ঞাপন করেছেন। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “মুকুল রায় প্রয়াত, চিরশান্তিতে থাকুক। দীর্ঘকাল চিনি। সাংবাদিক হিসেবে বা পরে রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে। একটা সময়ে মমতাদির পরম অনুগত। দলের কঠিন সময়েও তৃণমূলভবন আগলে পড়ে থাকত। কর্মীদের সময় দিত। দিদির নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ ছিল। বাংলা চিনত। পরে সময়ের সঙ্গে বদল। আমার রাজনৈতিক উচ্চাশা ছিল না। তবু, রজ্জুতে সর্পভ্রম করে আমাকে বধ করার দরকার মনে করেছিল। আমার বিশ্বাসের মর্যাদা না দিয়ে আমাকে খাদের ধারে নিয়ে গিয়ে ঠেলে ফেলে দেওয়ার মূল কারিগর ছিল মুকুলদা। আমাকে, আমার ঘনিষ্ঠদের যা বলেছিল, ধ্রুবসত্য ধরেছিলাম। কঠিনতম দিনে ক্রমশ বুঝেছি রাজনীতির খেলা। পরে মুকুলদা তখন বিজেপিতে, আমাকে নানা কথা বলে আবার কাছে টেনে বিজেপিতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। আমার বাড়িতে এসেছে একাধিকবার, আমি না বলায় আমার এলাকার ভাই, বন্ধুদের বুঝিয়েছে। বলেছে, ‘অমুক অমুক ‘ কারণে এই পার্টি করা যাবে না। কুণাল চলে আসুক। আন্তরিকভাবে আমাকে ওর সঙ্গে নতুন দলে নিয়ে যাওয়ার জন্য বুঝিয়েছে। আমি বলেছি, সব বুঝলাম, কিন্তু দল ছাড়ব না, দলের ভেতরেই নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করে যাব। আরও পরে মুকুলদা অসুস্থ। মনেপ্রাণে চেয়েছি, সেরে উঠুক।”

তিনি আরও লিখেছেন, “ওর ছেলে শুভ্রাংশুর সঙ্গে আমার টুকটাক যোগাযোগ থাকে। মুকুলদাকে দেখতেও গেছি। শুভ্রাংশু ও পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা। মুকুলদা একজন দক্ষ রাজনৈতিক কর্মী ছিল। ওর সঙ্গে কিছু মুহূর্ত মনে থাকবে। ওর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বের আগের রাতে দিল্লির বাড়ির সামনের গাছের তলার আলোচনা এবং দিদির ঘরের দরজা নক করে আরও অনুরোধ ; কিংবা কালিম্পংএ শীতের রাতে আমি আর মুকুলদা রুম হিটার কোলে নিয়ে জেগে গল্প, এরকম বেশ কিছু মুহূর্ত আছে। ওর প্রতি আমার রাগ, অভিমান আছে। কিন্তু ওর বৈশিষ্ট্যগুলো অস্বীকার করব কেন? ও আমার ক্ষতি করার কারিগর। অনেক পরেও সিবিআইকে কত বড় মিথ্যা বয়ান দিয়ে আমাকে আরও ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে, আমি দেখেছি, আমি জানি, ঈশ্বর আছেন। কিন্তু ও তৃণমূলের দুঃসময়ের অন্যতম সৈনিক, পাল্টেছে অনেক পরে। তবে, আমার মতে কারণ যাই হোক, ওর তৃণমূল ছাড়াটা মস্ত ভুল। তৃণমূলে ও একটা বড় নাম। দলবদলের জটিল আবর্তে সম্মান ও গুরুত্বটা হারিয়ে ফেলেছিল। আজ ওর বিদায়ের মুহূর্তে সুন্দর কিছু স্মৃতি মনে থেকে যাক। বাকি পর্যালোচনা চলতে থাকবে।”

 

দেখুন অন্য খবর :

 

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News

JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot poker idn poker situs slot gacor situs toto istanaslot istanaslot sohibslot slot gacor hari ini AMANAHTOTO garuda4d https://mybett188.com toto permata888 nobu99 situs slot gacor link slot gacor Depo 5k