ওয়েব ডেস্ক : কলকাতার সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলে ইসকনের (ISCON) হাত ধরে শুরু হল নতুন মিড-ডে মিল (Mid day meal) পরিষেবা। শনিবার তারাতলায় ইসকনের সেন্ট্রাল কিচেন থেকে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রথম দিনেই কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত ৫০০টি প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুলের প্রায় ৪৪ হাজার পড়ুয়ার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে রান্না করা খাবার। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই পরিষেবা আড়াই লক্ষ পড়ুয়ার কাছে পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ইসকনের (ISCON) সেন্ট্রাল কিচেন ঘুরে দেখেন এবং রান্নার কাজেও অংশ নেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল, স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন-সহ প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরা। খাদ্যের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেই এই পরিষেবা চালানো হবে বলে জানান তিনি।
আরও খবর : ঘরে বসেই ডিজিটাল জনগণনা, সেলফ এনুমারেশন কীভাবে করবেন? ধাপে ধাপে জেনে নিন
মিড-ডে মিলের (Mid day meal) রাঁধুনিদের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কোনও রাঁধুনি কাজ হারাবেন না। ইসকনের সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করা হবে এবং আগামী অগস্ট মাস থেকে তাঁদের ৩,০০০ টাকা করে সম্মানী দেওয়া হবে। রান্না ও খাবার বিতরণের কাজেও তাঁদের দায়িত্ব থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ডিম নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কেরও জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্পষ্ট করে জানান, রাজ্যের স্কুলপড়ুয়াদের জন্য সপ্তাহে দু’দিন ডিম দেওয়া হবে। ইসকনের নিজস্ব খাদ্যনীতি বজায় রেখেই আলাদা ব্যবস্থায় ডিম বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, পড়ুয়াদের পুষ্টির সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না। ডিম নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রথম থেকেই আন্ডা আন্ডা বলে মিছিল বার করে দিলেন! কিছু না-জেনে এ সব নিয়ে বলা শুরু করে দিলেন!’’ তিনি আরও বলেছেন, ইসকনের কী চুক্তি হয়েছে, দরকার হলে শিক্ষা আধিকারিকদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলতে পারতেন। এমনকি ইসকনের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারতেন।







