কলকাতা : রাজ্য রাজনীতিতে ফের দলবদলের জল্পনা। ৩ জন নয়, অন্তত ৬ জন NCPI সাংসদ তৃণমূলের (TMC) সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বলে দাবি করলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর বক্তব্য, ওই সাংসদেরা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন এবং তৃণমূলে ফিরে আসার বিষয়ে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও কুণালের এই দাবি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও সামনে আসেনি।
শুধু সাংসদ নয়, দলত্যাগী বিধায়কদের নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন কুণাল। তাঁর দাবি, দল ছেড়ে যাওয়া প্রত্যেক নেতাকে একই চোখে দেখে না তৃণমূল। ব্যক্তিস্বার্থে দলবদল করা এবং পরিস্থিতির চাপে দল ছাড়তে বাধ্য হওয়া নেতাদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন: মামলার জেরে সরকারি হাসপাতালে খাবার পরিষেবায় ব্যাঘাত নয়, গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হাইকোর্টের
কুণালের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু নেতা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ বা আইনি সমস্যার কারণে অন্য শিবিরে গিয়েছেন। তাঁদের ক্ষেত্রে তৃণমূলের দরজা বন্ধ। অন্য দিকে, পরিস্থিতির চাপে দল ছেড়ে যাওয়া কিছু নেতার সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের যোগাযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বার সংসদীয় রাজনীতিতেও বড়সড় প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন কুণাল। তাঁর দাবি, অন্তত ছয় জন NCPI সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। কেন তাঁরা প্রকাশ্যে তৃণমূলে ফিরছেন না, তার ব্যাখ্যায় কুণালের অভিযোগ, পুলিশি চাপ এবং মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখিয়ে তাঁদের আটকে রাখা হচ্ছে।
এমনকি পুলিশি বাধা না থাকলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫২ থেকে ৫৬ জন বিধায়ককে নিয়ে বিধানসভায় মিছিল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে কুণালের এই সমস্ত বক্তব্যই তাঁর রাজনৈতিক দাবি। এর সত্যতা যাচাই স্বাধীন ভাবে সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট NCPI সাংসদ বা বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকেও এই দাবির সমর্থনে কোনও নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কুণালের মন্তব্যের পরেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে দলবদলের জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে সত্যিই কোনও সাংসদ বা বিধায়ক তৃণমূলে ফেরেন কি না, এখন নজর সেদিকেই।







