ওয়েব ডেস্ক: নিট-ইউজি ২০২৬ (NEET UG 2026) পরীক্ষার নম্বর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া দুটি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল আদালত। ভুয়ো স্কোরকার্ড ও জাল নথি জমা দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই কারণে একটি মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিকে (NTA) অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
রুপসা গাঙ্গুলি নামে এক পরীক্ষার্থী দাবি করেছিলেন, তিনি নিট-ইউজি ২০২৬ (NEET UG 2026) পরীক্ষায় তিনটি আলাদা স্কোরকার্ড পেয়েছেন। তবে শুনানিতে এনটিএর আইনজীবী আদালতে জানান, আবেদনকারীর জমা দেওয়া স্কোরকার্ড, ওএমআর শিট-সহ সমস্ত নথিই জাল ও বিকৃত। আদালতে পেশ করা স্কোরকার্ডটি ২০২৫ সালের পরীক্ষার বলে দাবি করে এনটিএ। সংস্থার তরফে জানানো হয়, এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আগামী তিন বছর ওই পরীক্ষার্থীকে নিট পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।
আরও খবর : সপ্তাহান্তে ভোগান্তির আশঙ্কা, ট্র্যাক মেরামতির জন্য শনি-রবিবার বাতিল ৮ লোকাল
অন্য একটি মামলায় শ্রীজা মহান্তি নামে এক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁর প্রাপ্য নম্বর ৬৫৯ হলেও ফলাফলে ২৮৯ নম্বর দেখানো হয়েছে। তবে শুনানির সময় তাঁর আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানান। বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট করে দেন, মামলা প্রত্যাহার করলেও তদন্তে যদি নথি বিকৃত বা জাল করার প্রমাণ মেলে, তাহলে ওই পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে পারবে এনটিএ।
উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অমৃতা সিনহা মন্তব্য করেন, আদালতকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই জাল নথি পেশ করা হয়েছে। এরপর আদালত একটি মামলা খারিজ করে। এনটিএকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমতি দেয়। পাশাপাশি দ্বিতীয় মামলার ক্ষেত্রেও তদন্তের ভিত্তিতে উপযুক্ত পদক্ষেপের পথ খোলা রাখে আদালত।







