ওয়েব ডেস্ক : কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সুমিত রায়ের (Sumit Roy) মামলার শুনানিতে সরকারি জমি ভুয়ো নথির মাধ্যমে দখল ও বিক্রির অভিযোগ তুলে বিস্ফোরক দাবি করল রাজ্য। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার জানান, বিএলআরও-র রিপোর্ট অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জমি সরকারি হলেও ভুয়ো নথি তৈরি করে সেগুলি ভুয়ো ব্যক্তিদের নামে রেকর্ড করা হয়েছে। এই গোটা চক্রের তদন্ত চলছে।
রাজ্যের দাবি, এইভাবে একাধিক সরকারি জমি বিক্রি করা হয়েছে। তার সুবিধাভোগীদের অন্যতম সুমিত রায় (Sumit Roy)। তদন্তে সুজয় হাজরার কাছ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি বিএলআরও-র রাবার স্ট্যাম্প-সহ বেশ কিছু সরকারি নথিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়।
আরও খবর : জমি মামলায় অতীন ঘোষকে এখনই গ্রেফতার নয়, ১৪ অগস্ট পর্যন্ত রক্ষাকবচ বাড়াল হাইকোর্ট
শুনানিতে আরও দাবি করা হয়, বিষ্ণু রায়, পল্টু রায়, কমলা রায়-সহ একাধিক ভুয়ো নামে জমির নথি তৈরি করা হয়েছিল। তদন্তে দেখা গিয়েছে, এই নামে কোনও প্রকৃত ব্যক্তির অস্তিত্ব নেই। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নামে সরকারি জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল বলেও আদালতে জানায় রাজ্য।
এছাড়া স্থানীয় গ্রামবাসীদের বয়ান উদ্ধৃত করে রাজ্য জানায়, সরকারি জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাসকারী বহু মানুষকে জোর করে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, জমি সংক্রান্ত অধিকাংশ আর্থিক লেনদেন নগদে করা হত। এই মামলায় এখনও কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি কলকাতা হাই কোর্ট। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হবে।







