ওয়েব ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের (Abhijit Dipke) বাবার আয় ও সম্পত্তি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠল। সুরাটের (Surat) আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি অভিযোগ করেছেন, মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকারের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর মাসিক ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকার বেতনে কীভাবে ছেলেদের আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ বহন করা সম্ভব হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অভিজিতের বাবা ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এমআইডিসি)-এ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আরটিআই কর্মীর দাবি, তাঁর আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমস (সিবিআইসি)-এর কাছেও পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।
আরও খবর : দফায় দফায় বৃষ্টি কলকাতায়, আগামী সপ্তাহে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
অমিত তিওয়ারির বক্তব্য, যদি আয়ের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তির প্রমাণ মেলে, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও মন্তব্য সামনে আসেনি।
এদিকে সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত ছাত্রছাত্রীদের আইনি সহায়তার জন্য একটি তহবিল গঠনের ঘোষণা করেছে। সেই তহবিলে এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রবীণ আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল।
এই তহবিলের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আরটিআই কর্মী। তাঁর দাবি, সিজেপি যদি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল না হয়, তবে রাজনৈতিক দলের নামে অর্থ সংগ্রহ বা অনুদান গ্রহণের আইনি ভিত্তি খতিয়ে দেখা উচিত। একই সঙ্গে কপিল সিব্বলের ঘোষিত অনুদানের উপর জিএসটি প্রযোজ্য কি না, সেটিও পরীক্ষা করার আবেদন জানানো হয়েছে। অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দায়িত্ব এখন সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলির উপরই রয়েছে।







