ওয়েব ডেস্ক :ইপিএফও-র (EPFO) বিনিয়োগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেড (Reliance Capital Limited), সংস্থার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনিল ডি আম্বানি, কয়েকজন অজ্ঞাত সরকারি আধিকারিক এবং অন্য অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা রুজু হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে রিলায়েন্স ক্যাপিটালের সিকিয়োর্ড নন-কনভার্টিবল ডিবেঞ্চারে (NCD) ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিল ইপিএফও। ডিবেঞ্চারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সংস্থাটি সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দিতে পারেনি। পরবর্তীতে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনালের (NCLT) রেজোলিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৪ সালে ইপিএফও ১,৪৯২ কোটি টাকা উদ্ধার করলেও এখনও ১,০০৭.৫৫ কোটি টাকার মূলধন এবং ৮০৮.৬৭ কোটি টাকার সুদ-সহ মোট ১,৮১৬.২২ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ।
আরও খবর : ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে বারাণসীতে রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআর
সিবিআই জানিয়েছে, তদন্তে প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে যে সংস্থার তৎকালীন কর্তারা প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন এবং তহবিল অন্যত্র সরানোর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখেই প্রতারণা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং দুর্নীতির ধারায় মামলা শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
অন্যদিকে, অনিল আম্বানির মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই মামলার সঙ্গে তাঁর কোনও বেআইনি ভূমিকা নেই। তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত রিলায়েন্স ক্যাপিটালের নন-এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সংস্থার বোর্ড ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ করেআইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন।







