ওয়েব ডেস্ক: দিল্লির (Delhi) যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) ককরোচ জনতা পার্টির (Cockroach Janta Party) বিক্ষোভ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসার ঘটনায় দিল্লি (Delhi) পুলিশ যে ২ হাজার ৮৭৩ জনকে শনাক্ত করেছে, তাঁদের মধ্যে প্রায় ৯৮৯ জনের বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন অপরাধে যুক্ত থাকার রেকর্ড রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের সূত্রে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের চিহ্নিত করতে ব্যবহার করা হয়েছিল ‘ফেস রেকগনিশন সিস্টেম’ (এফআরএস)। যন্তর মন্তরে বসানো ওই প্রযুক্তির মাধ্যমে মিছিলে অংশ নেওয়া বহু ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভের সময় কয়েকজনের হাতে ধারালো অস্ত্রও দেখা গিয়েছিল এবং তাঁদের একাংশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন: জেল হেফাজতের নির্দেশ বদল, ধর্মতলা কাণ্ডে ধৃত ১৬ জনেরই মিলল জামিন
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১০১ জনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে। ৬২ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনের চেষ্টা সংক্রান্ত মামলা। এছাড়া ৬১ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা এবং ২৫ জনের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই-সহ বিভিন্ন অপরাধের মামলাও রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আয়োজিত আন্দোলন থেকে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে কর্মসূচি শুরু করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। পরে সেই আন্দোলনে যোগ দেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। ধীরে ধীরে আন্দোলন বড় আকার নেয়।
আন্দোলন ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কেন্দ্রের তরফে একাধিক দাবি মেনে নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়। এরপর বিক্ষোভ প্রত্যাহার করে নেয় আন্দোলনকারীরা।
তবে দিল্লি পুলিশের এই তথ্য সামনে আসার পর আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের দাবি সত্যি হলে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের আড়ালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতি ছিল কি না, তা নিয়ে তদন্ত আরও জোরদার হতে পারে।







