নয়াদিল্লি: দিল্লির (Delhi) যন্তর মন্তরে (Jantar Mantar) ফের উত্তেজনার আশঙ্কা। নতুন করে আন্দোলনের ডাক ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করল প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই যন্তর মন্তর চত্বরে বসানো হয়েছে একাধিক ব্যারিকেড। মোতায়েন করা হয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র্যাফ) এবং দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বাহিনী। সম্ভাব্য অশান্তি এড়াতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।
সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নতুন করে দেশজুড়ে বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি দেয়। দলের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হবে না বলে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। সিজেপি-র মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কার দাবি, বিজেপি-শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে শত শত ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলিও এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি।
আরও পড়ুন: প্রশ্নফাঁসে আরও কড়া আইন, লোকসভায় পাশ হল বিল!
এই পরিস্থিতিতে সমস্ত এফআইআর প্রত্যাহার এবং ধৃত ছাত্র-আন্দোলনকারীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে সিজেপি। একই সঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। সেই ঘোষণার পরই রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরেই টানা ৩৬ দিন ধরে আন্দোলন চলেছিল। সেই আন্দোলনের জেরে একাধিকবার উত্তপ্ত হয়েছিল রাজধানীর রাজনৈতিক পরিবেশ। তাই নতুন করে আন্দোলনের ডাক ঘিরে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশ ও নিরাপত্তা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
ফের আন্দোলন শুরু হলে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। আপাতত সম্ভাব্য বিক্ষোভ মোকাবিলায় রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে প্রশাসন।
এবার সেই ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব দিতে গিয়ে সৌরভ হৃতিক রোশনের প্রসঙ্গ টেনে আনায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। কঙ্গনা ও হৃতিকের অতীত সম্পর্ক এবং আইনি বিবাদের ঘটনা দীর্ঘদিন ধরেই বলিউডের বহুচর্চিত বিষয়। ফলে সৌরভের এই মন্তব্য নতুন করে সেই বিতর্ককেই সামনে এনে দিয়েছে। যদিও কঙ্গনা এখনও পর্যন্ত এই মন্তব্যের কোনও প্রকাশ্য জবাব দেননি। এখন নজর, এই বাকযুদ্ধ আরও নতুন মোড় নেয় কি না।







