নয়াদিল্লি: বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিনকে (Udaynidhi Stalin) নিয়ে বড় নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের (Madras High Court)। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলেই তাঁকে মুক্তি দিতে হবে, মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ডিএমকে-র তরফে আদালতের এই নির্দেশকে ‘জনতার জয়’ বলে দাবি করা হয়েছে।
সোমবার একটি জনসভায় অভিনেত্রী ত্রিশাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে উদয়নিধির বিরুদ্ধে। ত্রিশা তামিল অভিনেতা তথা বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের ঘনিষ্ঠ বলে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই মঙ্গলবার সকালে উদয়নিধির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও পড়ুন : দিল্লি নামার আগে আচমকাই ৩০০ ফুট নীচে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান, তীব্র ঝাঁকুনিতে আহত ১৫
প্রথমে খবর ছড়িয়ে পড়ে, উদয়নিধিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ডিএমকে সমর্থকেরা। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এর পরেই উদয়নিধিকে মুক্তির দাবিতে মাদ্রাজ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় ডিএমকে।
মামলার শুনানিতে আদালত স্পষ্ট করে দেয়, পুলিশ প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। তবে সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর উদয়নিধিকে আর হেফাজতে রাখা যাবে না। তাঁকে মুক্তি দিতে হবে বলেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার রাজনৈতিক তাৎপর্যও কম নয়। এক দিকে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে ডিএমকের রাজনৈতিক সংঘাত, অন্য দিকে উদয়নিধির বিরুদ্ধে ওঠা ব্যক্তিগত মন্তব্যের অভিযোগ, দুইয়ের জেরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে।
ডিএমকে-র দাবি, বিরোধী দলনেতাকে রাজনৈতিক ভাবে হেনস্থা করতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে। অন্য দিকে, পুলিশের পদক্ষেপের পক্ষে থাকা মহলের বক্তব্য, অভিযোগের তদন্তের স্বার্থেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশের পর এখন নজর, জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে পুলিশ কখন উদয়নিধিকে মুক্তি দেয় এবং এই ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হয়।







