ওয়েব ডেস্ক: নিট (NEET) পরীক্ষার ফল নিয়ে গভীর হতাশা। পুনর্মূল্যায়নের পরও আশানুরূপ নম্বর না পেয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন এক তরুণী পরীক্ষার্থী। মহারাষ্ট্রের আহিল্যনগরে ১৯ বছর বয়সি অঙ্কিতা সাঙ্গালের আত্মহত্যার ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠেছে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চাপ এবং পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিটের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন অঙ্কিতা। চলতি বছরের প্রথম নিট পরীক্ষায় ভালো ফলের আশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর সেই পরীক্ষা বাতিল হয়ে যায়। পরে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হলে আশানুরূপ ফল করতে পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন: ধর্মতলার অশান্তি-কাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১
পরিবারের দাবি, দ্বিতীয়বার পরীক্ষার পর অঙ্কিতা মাত্র ১৬৬ নম্বর পেয়েছিলেন। এরপর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। শনিবার বাড়িতে কেউ না থাকার সময় আত্মঘাতী হন ওই পড়ুয়া। পরে পুলিশ এসে তাঁর দেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে বাবা-মায়ের উদ্দেশে ক্ষমা চেয়ে অঙ্কিতা লিখেছিলেন, তাঁরা তাঁকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন, কিন্তু তাঁদের আশা পূরণ করতে পারেননি। নিজের সিদ্ধান্তের জন্য কাউকে দায়ী না করার কথাও উল্লেখ করেছিলেন তিনি।
নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ড ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ চলছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই একাধিক নিট পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর সামনে এসেছে।
প্রশ্নফাঁস বিতর্কের পর কেন্দ্র নিট-ইউজি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপও বেড়েছে। সংসদে প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।







