ওয়েব ডেস্ক : ভারত সরকারের কড়া অবস্থানের পর সুর নরম করল মেটা (Meta)। সূত্রের খবর, শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট , ডিপফেক, অবৈধ কনটেন্টের প্রসার এবং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনায় একাধিক ত্রুটি নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) একটি ভিডিও সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তলবের পর বুধবার কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মেটার শীর্ষ প্রতিনিধিরা।
সূত্রের খবর, বৈঠকে মেটাকে (Meta) স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কনটেন্ট বাছাই ও প্রচারের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকার কারণে শুধুমাত্র ‘ইন্টারমিডিয়ারি’ হিসেবে দায়মুক্তির সুযোগ সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। আইটি আইনের ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা নিয়েও কেন্দ্র কড়া বার্তা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বৈঠকে মেটার প্রতিনিধিরা স্বীকার করেছেন, নির্দিষ্ট ধরনের কিছু কনটেন্টকে অর্থের বিনিময়ে বেশি প্রচার করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্মে কিছু বেআইনি কনটেন্টের প্রসার রুখতে সংস্থার তরফে ত্রুটি ছিল। এই বিষয়গুলি নিয়ে ভবিষ্যতেও সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সরকার।
আরও খবর : ২০২৯ লোকসভা ভোটের আগে বড় প্রস্তুতি? ডিলিমিটেশন ও মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে সক্রিয় কেন্দ্র
গত ২৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) একটি ভিডিও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি পুনরুদ্ধার করে মেটা জানায়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই এমনটি হয়েছিল। তবে সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।
এদিকে, সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটিও শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট এবং মহিলাদের অবমাননাকর পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। বুধবার প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলা বৈঠকে মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স প্রধান জোয়েল কাপলান-সহ সংস্থার প্রতিনিধিরা আইটি সচিব এস. কৃষ্ণন এবং মন্ত্রকের অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সূত্রের খবর, ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে মেটার প্রতিনিধিদের আবার ডেকে পাঠানো হতে পারে।







