ওয়েব ডেস্ক :পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)!এই পদত্যাগপত্র বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। অশোকচক্র-সহ সরকারি ফরম্যাটে তৈরি ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছিল, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দায় স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিচ্ছেন তিনি। পোস্টটি ঘিরে জল্পনা ছড়ালেও প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ভাইরাল হওয়া নথিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো।
পিআইবির ফ্যাক্ট-চেক শাখা জানায়, প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) এমন কোনও পদত্যাগপত্র জারি করেননি। ভাইরাল হওয়া চিঠিতে থাকা স্বাক্ষরও আসল নয়। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে পিআইবির ফ্যাক্ট-চেক শাখার বার্তা, সরকারি সূত্রে যাচাই না করে কোনও তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার করা উচিত নয়। পাশাপাশি সন্দেহজনক বা বিকৃত কনটেন্ট দেখলে তা রিপোর্ট করারও আবেদন জানিয়েছে তারা।
আরও খবর : রাজ্যসভার পর এবার লোক সভাতেও পাশ হল জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬
এর আগেও প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একাধিক ভুয়ো ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছিল। সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত একটি ভিডিওকে বিকৃত করে ভাইরাল করা হয়েছিল, যা পরে পিআইবি খণ্ডন করে আসল ভিডিও প্রকাশ করে। একই সময়ে দিল্লি পুলিশও জানায়, যন্তর মন্তর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এমন দাবিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
सोशल मीडिया पर प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के हस्ताक्षर वाला एक पत्र प्रसारित किया जा रहा है।#PIBFactCheck
❌ यह पत्र #फर्जी है।
✅ प्रधानमंत्री द्वारा ऐसा कोई पत्र न तो जारी किया गया है और न ही उस पर हस्ताक्षर किए गए हैं।
⚠️ किसी भी दावे पर विश्वास करने से पहले उसकी आधिकारिक… pic.twitter.com/ktqV0aZDaN
— PIB Fact Check (@PIBFactCheck) July 30, 2026
এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের বার্তা, যাচাই না করে কোনও পোস্টে বিশ্বাস বা তা ছড়ানো উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুয়ো তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই সরকারি ফ্যাক্ট-চেক প্ল্যাটফর্মের তথ্য মিলিয়ে নেওয়ার পরেই কোনও খবর গ্রহণ বা শেয়ার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।







