ওয়েব ডেস্ক : তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে (NCPI) যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা এখনও কাটেনি। লোকসভার স্পিকারের তরফে এখনও পৃথক দল হিসেবে স্বীকৃতি না মেলায় অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআইয়ের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রায় দেড় ঘণ্টার ওই বৈঠকে সাংগঠনিক পরিস্থিতি, সাংসদদের ভূমিকা এবং রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।
সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের, জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান এবং বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। তাঁদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আলাদাভাবেও কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই তিন সাংসদকে ঘিরে নানা রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হলেও বৈঠকের পর দল ঐক্যের বার্তাই দিয়েছে।
আরও খবর : দিল্লি নামার আগে আচমকাই ৩০০ ফুট নীচে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান, তীব্র ঝাঁকুনিতে আহত ১৫
বৈঠক শেষে মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার বলেন, এনসিপিআই (NCPI) আগেই এনডিএ-কে সমর্থন করেছে। তিন সাংসদের কিছু ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক বিষয় ছিল, যা তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন। আলোচনার পর সব বিষয় পরিষ্কার হয়েছে এবং তাঁরা এনসিপিআইয়ের সঙ্গেই রয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। একই সুর শোনা যায় সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও। তাঁর দাবি, বৈঠকে উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, লোকসভায় পৃথক স্বীকৃতির বিষয়টি নিয়েও সাংসদদের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে।
উল্লেখ্য, লোকসভার স্পিকারের কাছে এখনও এনসিপিআইয়ের পৃথক স্বীকৃতির বিষয়টি ঝুলে রয়েছে। এর মধ্যেই আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠানের এনডিএ-র বৈঠকে অনুপস্থিতি ও সংসদ চত্বরে অন্য রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহেই দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠককে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।







