ওয়েব ডেস্ক : নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নফাঁস মামলার তদন্তে বড় অগ্রগতি হল। ১৩ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার পাতার চার্জশিট দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউয়ের বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে জমা দিল সিবিআই। তবে বিপুল পরিমাণ নথি স্ক্যান ও অভিযুক্তদের সরবরাহের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে তদন্তকারী সংস্থাকে আরও তিন দিনের সময় দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৩ অগস্ট।
বিশেষ বিচারক অনু গ্রোভার বালিগার এজলাসে সিবিআই জানায়, চার্জশিটের সঙ্গে থাকা নথির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। আদালতও পর্যবেক্ষণ করে যে, প্রাথমিকভাবে জমা দেওয়া চার্জশিটের সঙ্গে সাক্ষীদের বয়ান ও নথির পূর্ণাঙ্গ তালিকা সংযুক্ত করা হয়নি। এরপরই সিবিআই অতিরিক্ত সময়ের আবেদন জানায়, যা মঞ্জুর করে আদালত।
আরও খবর : শনিবার থেকেই ডিজিটাল জনগণনার প্রথম ধাপ, স্ব-শুমারি করতে কোন পোর্টালে যাবেন?
চার্জশিটে ১৩ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রমাণ নষ্ট, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪-সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে ৩৬০ জন সাক্ষী, ৪২২টি নথি এবং ৪৩টি বস্তুগত প্রমাণের উল্লেখ করেছে সিবিআই। বর্তমানে চার্জশিটে নাম থাকা সব অভিযুক্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা ঘিরে প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ মে কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা দফতরের অভিযোগ পাওয়ার পরই এফআইআর দায়ের করা হয়। এরপর ৭২ জন আধিকারিক ও ৮ জন সাইবার ফরেনসিক বিশেষজ্ঞকে নিয়ে একাধিক তদন্তকারী দল গঠন করা হয়। মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা, দিল্লিসহ বিভিন্ন রাজ্যে মোট ৯২টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস, যোগাযোগ সংক্রান্ত তথ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেই সমস্ত প্রমাণের ফরেনসিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে এই চার্জশিট তৈরি করা হয়েছে।







