KolkataTV

প্রয়াগরাজ সীমান্তে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৭

ওয়েব ডেস্ক : উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) প্রয়াগরাজ-কৌশাম্বী সীমান্তের কাছে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু (Death) হল অন্তত ৭ জনের। মৃতদের মধ্যে ১৩ বছরের প্রবীণ এবং ৫ বছরের প্রিয়াংশী নামে দুই শিশুও রয়েছে বলে খবর। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ কৌশাম্বী জেলার মহম্মদপুর গ্রামে এই বিস্ফোরণ (Blast) ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে মানৌরি এয়ার ফোর্স স্টেশন। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একতলা গোটা কারখানাটি ভেঙে পড়ে। আশপাশের একাধিক বাড়িও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কারখানার প্রায় ১০০ মিটারের মধ্যে থাকা অন্তত ৮টি বাড়ি বিস্ফোরণের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকাজে পুলিশ, বায়ুসেনা, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের প্রায় ২০০ জন কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ সরাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ১০টি বুলডোজার। বিস্ফোরণের সময় কারখানার ভিতরে প্রায় ২০ জন শ্রমিক ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারীরা।

আরও খবর : ‘মহিলাদের ঘরেই থাকা উচিত’, কেরলের মুসলিম ধর্মগুরুর মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

বিস্ফোরণের পরেও কারখানায় মজুত বাজির কারণে পরপর ছোট বিস্ফোরণ (Blast) ঘটতে থাকে। প্রায় ২ কিলোমিটার দূর থেকেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয়দের দাবি। ঘটনাস্থলে ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের আহতদের খাটিয়ায় করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে দেখা যায়। কৌশাম্বীর জেলাশাসক অমিত পাল শর্মা জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ এখনও চলছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন। ঘটনায় কারও গাফিলতি বা বেআইনি কাজ প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তদন্তে প্রয়োজন হলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও করা হতে পারে।

প্রাথমিক তদন্তে বাজি কারখানাটির লাইসেন্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আধিকারিকদের দাবি, প্রায় দু’বছর আগেই কারখানাটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল। এরপরও কীভাবে সেখানে বাজি তৈরির কাজ চলছিল, বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী এবং নিরাপত্তাবিধি মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

Exit mobile version