ওয়েবডেস্ক- মধ্যপ্রাচ্যের (Middle East) পরিস্থিতি ক্রমশই অস্থির থেকে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ নেতে আয়াতুল্লা আলি খামেনেই মৃত্যুতে এত সহজে নেবে না ইরান। যুদ্ধের জেরে জ্বালানি (fuel) বাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের কারণ ফলে এই যুদ্ধের আঁচ পড়েছে ভারতে। সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। গ্যাসের সরবরাহে অনিশ্চয়তা (Gas Supply Uncertainty) দেখা দিয়েছে। দেশের এই অবস্থায় দেশবাসীকে আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Union Petroleum Minister Hardeep Singh Puri) ।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, জ্বালানির সঙ্কট নেই। লোকসভায় হরদীপ সিং পুরী, ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। দেশে এখন তেল, গ্যাসের কোনও সমস্যা নেই। জ্বালানি নিয়ে কোনও আতঙ্কের কারণ নেই। মন্ত্রীর আরও দাবি, দেশে পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিনের কোনও সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে প্যানিক বুকিং-এর জন্য। সেইসঙ্গে মন্ত্রি বলেন, বিকল্প জ্বালানিরও ব্যবস্থা করা আছে, কত জ্বালানি মজুদ করা আছে, তা রাজ্যকে জ্বালানো হয়েছে গতকাল। রান্নার গ্যাসের উৎপাদন ২৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারতে যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। যা কারণে মানুষের মধ্যে ভয়ের বাতাবরন তৈরি হয়েছে। বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেওয়ায় কলকাতা, মুম্বই, বেঙ্গালুরু এবং চেন্নাইয়ের মতো বড় শহরগুলিতে হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় প্রভাব পড়েছে। এমনকী পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরেও ভোগের পরিমাণ কমানো হয়েছে। কলকাতার ইসকন ও দিঘার জগন্নাথ দেবের মন্দিরেও ভোগের পরিমাণ কমানো হয়েছে।
আরও পড়ুন- খুলল হরমুজ প্রণালী! ভারতে এসে পৌঁছল সৌদির ট্যাঙ্কার! এবার কি মিটবে জ্বালানির সংকট?
এমনকি মোহনবাগান ক্লাবের মতো বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের ক্যান্টিনও গ্যাস সঙ্কটের মুখে পড়েছে। বর্তমানে ভারতে প্রায় ২৫-৩০ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক তেল শোধনাগারগুলোকে এলপিজি উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে। সেইসঙ্গে গার্হস্থ্য ব্যবহারের জন্য সরবরাহকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জরুরি ক্ষেত্রগুলোতে আমদানিকৃত গ্যাস সরবরাহকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।







