৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার,
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
K T V Clock
রবিবাসরীয় ভোটে বুথে বুথে ভোটার টানতে হিমশিম খেতে হল হংকংয়ের সরকারকে
হংকংয়ে নতুন ধারার নির্বাচন, রবিবার ছুটির দিনে ভোটার টানতে হিমশিম দশা সরকারের
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১৯-১২-২০২১, ১১:১৪ অপরাহ্ন
হংকংয়ে নতুন ধারার নির্বাচন, রবিবার ছুটির দিনে ভোটার টানতে হিমশিম দশা সরকারের

কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক: রবিবাসরীয় ভোটে বুথে বুথে ভোটার (Hong kong Election) টানতে হিমশিম খেতে হল হংকংয়ের সরকারকে। কলকাতা শহরের মতো রবিবারে বসেছিল হংকংয়ের ভোট-আসর (Hong Kong Voter)। প্রচার পর্বেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে প্রশাসন। যাতে ভোটাররা যত বেশি সম্ভব ছুটির দিনে তাঁদের মত প্রকাশ করতে উৎসাহিত হন। কিন্তু তাতেও ফল ভাল হয়নি। আট ঘণ্টা পরও হংকংয়ে ভোটের হার গত বারের তুলনায় দশ শতাংশ কম।


হংকংয়ে এ বার ভোটও হল এক নতুন নিয়মে। সরকার প্রার্থীদের নাড়ি-নক্ষত্র ভূত-ভবিষ্যৎ সব খতিয়ে দেখেই তবেই তাঁকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে। সরকারের নিরিখে একমাত্র প্রকৃত 'দেশভক্ত'রাই (Hong Kong Patriots Election) নির্বাচনে টিকিট পেয়েছেন। যদিও এই প্রক্রিয়ায় প্রশাসনকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। সমাজকর্মী, অন্য দেশের সরকার বা ডানপন্থীরা সরকারের এই বেনজির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। মূল ধারার গণতন্ত্রপন্থী দল গুলো এই নির্বাচনে অংশই নেয়নি।


কত শতাংশ হংকংবাসী ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিলেন? সরকার এখন তা হিসেবনিকেশ করে দেখছে। কেননা হংকং সরকারের কাছে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। আসলে ভোটদানের শতাংশের উপরেই নির্ভর করছে এই নতুন ধারার ভোটপ্রক্রিয়ায় জনগণের আদৌ কোনও আস্থা আছে কি না। কেননা গণতন্ত্রকামীদের মধ্যে প্রায় সব দলই এই ভোটে অনুপস্থিত। মনে রাখতে হবে এই ভোটে এক তৃতীয়াংশের বেশি আসন বেজিং অনুগামীদের হাতেই নির্বাচিত হবে।


আরও পড়ুন- Kim Jong Un: কিমের দেশে হাসতে মানা দিন দশেকের তরে


'এটা দিনের আলোর মতই পরিস্কার যে, সরকারের লক্ষ্য একটাই, ভোটের হারকে শতাংশের বিচারে একেবারে সর্বোচ্চ করা। না হলে হংকং সরকারের কাছে এই নির্বাচনের কোনও বৈধতা থাকবে না।' হংকংয়ের ব্যাপটিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জঁ-পিয়ের সেবেসটানের মত তাই।


ভোটদান যাতে বেশি হয় তার জন্য শেষ সরকার শনিবারও শেষ চেষ্টা চালায়। একেবারে কার্পেট বম্বিংয়ের মত সমস্ত হংকংবাসীর কাছে পৌঁছে যায় সরকারের টেক্সট। অনেকটা 'নিজের ভোট নিজে দিন। সকাল সকাল ভোট দিন'-এর মত প্রচার বা আবেদনও বলা যাতে পারে। সরকার বিরোধীদের মধ্যে কেউ কেউ সাধারণ মানুষকে ভোট বয়কট করার অনুরোধ করেছিলেন। হংকংয়ে ভোট না দিতে কাউকে উৎসাহিত করা বা ভোট নষ্ট করা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

Tags :

শেয়ার করুন


© R.P. Techvision India Pvt Ltd, All rights reserved.