কলকাতা: নবান্নে (Nabanna) প্রশাসনিক বৈঠক, ফাইলের চাপ, এসবের মধ্যেই আচমকা অন্য মেজাজে দেখা গেল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দপ্তরের ক্যান্টিন ‘খাদ্যছায়া’-য় হঠাৎই ঢুঁ মারলেন তিনি। সেখানে কর্মীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। জানলেন তাঁদের সুবিধা-অসুবিধার কথা, খোঁজ নিলেন ক্যান্টিনের খাবারের দাম নিয়েও।
প্রতিদিন নবান্নে যাতায়াত থাকলেও ক্যান্টিনে মুখ্যমন্ত্রীর এমন আচমকা উপস্থিতি নজর কেড়েছে কর্মীদের। তাঁকে সামনে পেয়ে অনেকেই চমকে যান। কর্মীদের সঙ্গে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে কথা বলতে দেখা যায় শুভেন্দুকে। কার বাড়ি কোথায়, কতদিন ধরে কাজ করছেন, এমন নানা বিষয় জানতে চান তিনি।
এরপরই মুখ্যমন্ত্রী নজর দেন ক্যান্টিনের মেনুতে। জানতে চান, সেখানে খাবারের দাম কত। এক মহিলা কর্মী জানান, সবজি থালি পাওয়া যায় মাত্র ৪০ টাকায়। দাম শুনে খানিকটা অবাক হন মুখ্যমন্ত্রী। এত কম দামে কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা কীভাবে হচ্ছে, সে বিষয়েও খোঁজ নেন তিনি।
ক্যান্টিনের কর্মীরা মুখ্যমন্ত্রীকে চা ও গরম গরম চপ খাওয়ার অনুরোধ জানান। তবে সময়ের অভাবে কোনও কিছু না খেয়েই বেরিয়ে যান শুভেন্দু। যাওয়ার আগে সকলকে ভালোভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন এবং পাশে থাকার আশ্বাসও দেন।
নবান্নের ‘খাদ্যছায়া’ মূলত সেখানে কর্মরত সরকারি কর্মীদের জন্যই ব্যবহৃত হয়। মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক সফরে খুশি ক্যান্টিনের কর্মীরা। প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেও কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার এই উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।







