নয়াদিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) অন্দরে রাজনৈতিক টানাপড়েনের আবহে ফের নতুন জল্পনা। দিল্লিতে (Delhi) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি (BJP) নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তৃণমূলের আরও চার সাংসদের উপস্থিতির খবর সামনে এসেছে। সূত্রের দাবি, ওই বৈঠকে ছিলেন দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়, যুব তৃণমূল সভানেত্রী তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ-সহ (Sayoni Ghosh) আরও কয়েকজন সাংসদ।
রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয়, এই বৈঠকে নাকি উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। যদিও এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনও নেতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
আরও পড়ুন: আরও জটিল আইনি জটে অভিষেক! এবার ত্রিপুরা আদালতের সমন তৃণমূল সাংসদকে
গত সোমবার দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে তৃণমূলের একাধিক সাংসদের বৈঠককে কেন্দ্র করে আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। শতাব্দী রায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের নেতৃত্বে একটি ‘বিদ্রোহী’ গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে বলে দাবি ওঠে। সেই শিবিরের দাবি, তাদের সঙ্গে ২০-রও বেশি সাংসদ রয়েছেন। সেদিনের বৈঠকে ১৬ জন সাংসদ সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং আরও দু’জন ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়।
এর মধ্যেই মালা রায়ের নাম সামনে আসা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। দক্ষিণ কলকাতা কেন্দ্রকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে ধরা হয়। মালা রায়কে সম্প্রতি মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীর দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে সায়নী ঘোষের উপস্থিতিও জল্পনা বাড়িয়েছে। যুব তৃণমূলের শীর্ষ পদে থাকা সত্ত্বেও বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সূত্রের খবর, বিদ্রোহী শিবিরে আরও কয়েকজন সাংসদ যোগ দিতে পারেন। আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বৈঠক বা সম্ভাব্য ভাঙন নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। ফলে দিল্লির এই বৈঠককে ঘিরে জল্পনা আরও বাড়ছে।







