ওয়েব ডেস্ক : বর্ধমান (Burdwan) থেকে গ্রেফতার হয়েছে ২৪ বছরের হামিম মণ্ডল। তার পরেই তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে বলে দাবি করেছে এসটিএফ (STF)। শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা জানান, হামিমের মোবাইল ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এবং বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড চ্যাট বিশ্লেষণ করে নাশকতার সম্ভাব্য পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে।
এসটিএফের দাবি, পাকিস্তানে থাকা একাধিক সন্দেহভাজন হ্যান্ডলারের সঙ্গে হামিমের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম-সহ বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্মে কথোপকথনের সূত্র পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে উঠে এসেছে ‘রানা’, ‘আবির’, ‘হাবিব’ এবং ‘৩৩৩’ নামে পরিচিত কয়েকজন সন্দেহভাজন হ্যান্ডলারের নামও।
আরও খবর : ঘরে বসেই ডিজিটাল জনগণনা, সেলফ এনুমারেশন কীভাবে করবেন? ধাপে ধাপে জেনে নিন
তদন্তকারীদের দাবি, দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের পোশাক পরে নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং হাওড়ার এক মন্ত্রীকে ‘টার্গেট’করার পরিকল্পনার অভিযোগও সামনে এসেছে।
এসটিএফ আরও জানিয়েছে, হামিমের ঘনিষ্ঠ পরিচিত অর্পিতা সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গত চার বছর ধরে হামিমের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। ‘হানি ট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ফাঁদে ফেলার কোনও চক্রে তাঁর ভূমিকা ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।







