ওয়েব ডেস্ক : উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদ (Hasnabad) থানার ঘুনি বাজার এলাকায় বিজেপি কর্মীর ওষুধের দোকানে ভাঙচুর, মারধর ও সোনার চেন ছিনতাইয়ের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আক্রান্ত পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত কয়েকজন দুষ্কৃতী এই ঘটনায় জড়িত। যদিও অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা আনন্দ সরকার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘুনি বাজার এলাকায় বিজেপি কর্মী (BJP Worker) সুজিত মণ্ডলের একটি ওষুধের দোকান রয়েছে। অভিযোগ, তাঁর নিজস্ব জায়গা বাঁশের বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করেন কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। সেই বেড়া ভেঙে দেওয়াকে কেন্দ্র করেই বিবাদের সূত্রপাত বলে দাবি সুজিতের। তাঁর অভিযোগ, এরপর কয়েকজন ব্যক্তি দোকানে এসে তাঁকে মারধর করেন এবং দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর চালান।
আরও খবর : বেহাল প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার রাস্তা, খানাখন্দে চরম দুর্ভোগ হাসনাবাদে
সুজিত মণ্ডলের আরও অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী মৌমিতা মণ্ডল বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাঁকেও মারধর করা হয়। পাশাপাশি তাঁর গলা থেকে সোনার চেন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে আক্রান্ত পরিবার। ঘটনার পর হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা ২০২৬ সালের হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী এবং হাসনাবাদ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি আনন্দ সরকার। তাঁর বক্তব্য, দলের শৃঙ্খলা ও আইন মেনে সকলকে চলতে হবে। কেউ অন্যায় করে থাকলে তাঁকে কোনও ভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। বিষয়টি দলের নেতৃত্বকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাসনাবাদ থানার পুলিশ। রাজনৈতিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
