KolkataTV

বালি ব্যবসা থেকে সম্পত্তির পাহাড়? কাকদ্বীপের আলম শেখকে ঘিরে জোর চর্চা

ওয়েব ডেস্ক : বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলকে ঘিরে বিতর্কের আবহে এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপের (Kakdwip) বালি ব্যবসায়ী আলম শেখকে (Alam sheikh) ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কাকদ্বীপ বিধানসভার শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার বাঘেরচক এলাকার বাসিন্দা আলম শেখকে ঘিরে স্থানীয়দের একাংশ একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। তবে এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, আগে মাছ চাষ ও দর্জির কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে তিনি মুড়িগঙ্গা নদী থেকে বালি উত্তোলনের ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, সরকারি টেন্ডারের নির্ধারিত সীমার বাইরে বালি উত্তোলন করে বিভিন্ন এলাকায় পুকুর ভরাট-সহ নানা কাজে তা সরবরাহ করা হতো।

আরও খবর : বীরভূমের পর মালদহে টাকার পাহাড়! ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার প্রায় আড়াই কোটি নগদ, গ্রেফতার ১

এলাকার কিছু বাসিন্দার অভিযোগ, বালির ব্যবসা থেকে বিপুল সম্পত্তি, একাধিক গাড়ি এবং একটি বিলাসবহুল হোটেল গড়ে তুলেছেন আলম শেখ (Alam sheikh)। কর ফাঁকির অভিযোগও তুলেছেন স্থানীয়দের একাংশ। পাশাপাশি কোস্টাল থানার অদূরে ওই হোটেল নির্মাণের অনুমতি কীভাবে মিলল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গোটা বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

অন্যদিকে, আলম শেখ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি কোনও বেআইনি বালির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নন। বাবার সম্পত্তি বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই তিনি হোটেল নির্মাণ করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ছড়ানো সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও তিনি দাবি করেছেন। উল্লেখ্য, অভিযোগগুলির বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা তদন্তের ফল প্রকাশ করা হয়নি।

Exit mobile version