কলকাতা: বেআইনি পাথর খাদান ও বিপুল সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগে অভিযুক্ত টুলু মণ্ডল ওরফে নাজিবুদ্দিন মণ্ডল এখনও অধরা। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি বর্তমানে দুবাইয়ে (Dubai) মেয়ে ও জামাইয়ের কাছে রয়েছেন। এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে একের পর এক সম্পত্তি ও আর্থিক নথির খোঁজ মিলছে। শনিবার রাতে টুলুর মূল ব্যবসায়িক অফিসে তল্লাশি চালিয়ে সেটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ।
মহম্মদবাজার থানার সোঁতশালে অবস্থিত পাথর ব্যবসার অফিসে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। যদিও সেই নথিতে কী তথ্য রয়েছে, তা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তদন্তকারীদের দাবি, আর্থিক লেনদেন ও ব্যবসার বিস্তার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলতে পারে সেখান থেকেই।
আরও খবর : দফায় দফায় বৃষ্টি কলকাতায়, আগামী সপ্তাহে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, টুলুর ব্যবসার বৈধ ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির দাবি, বিষয়টি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি যে পার্কিং এলাকা ব্যবহার করা হত, তার মধ্যে সরকারি খাস জমির অংশ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। জমির পরিমাণ নির্ধারণে শীঘ্রই মাপজোক শুরু হবে।
এদিকে তদন্তে উঠে এসেছে টুলুর মেয়ের নামে একটি পেট্রল পাম্পের হদিস। সেটি ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পাশাপাশি টুলুর একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে। হিসাবরক্ষক পুলক দে এবং রেখিউল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
পেট্রল পাম্পের ম্যানেজারের দাবি, টুলুর মেয়ে শালমা অন্তঃসত্ত্বা এবং বর্তমানে দুবাইয়ে রয়েছেন। নাজিবুদ্দিনও তাঁদের সঙ্গেই রয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তদন্তকারীরা অবশ্য তাঁর দেশে ফেরার সম্ভাবনা ও আর্থিক লেনদেনের সূত্র খতিয়ে দেখছেন। অবৈধ সম্পত্তি, সরকারি জমি দখল এবং পাথর ব্যবসার নথি ঘিরে তদন্ত আরও বিস্তৃত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে।







