২১ মে ২০২২, শনিবার,
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
K T V Clock
Anubrata Mandal : গাড়ির স্টিয়ারিং ঘুরল কী ভাবে? কোন পথে ২১১-নম্বর কেবিনে এলেন কেষ্ট
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক
কলকাতা টিভি ওয়েব ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬-০৪-২০২২, ৩:৫৩ অপরাহ্ন
Anubrata Mandal : গাড়ির স্টিয়ারিং ঘুরল কী ভাবে? কোন পথে ২১১-নম্বর কেবিনে এলেন কেষ্ট
কালো রঙের স্ক্যাইলোর চাকা ঘুরতেই শুরু হয় জল্পনা ।

কলকাতা : সকাল থেকেই নিজাম প্যালেসের সামনে পুলিসের লম্বা লাইন ।  ছিল সংবাদ মাধ্যমের ব্যস্ততা । ঠিক সময়ই কলকাতার বাড়ি থেকে গাড়িটা রওনা দিয়েছিল । কালো রঙের স্ক্যাইলোর চাকা ঘুরতেই শুরু হয় জল্পনা ।  গুঞ্জন ।

সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী ।  গাড়ি বেশ কিছুটা ঠিক পথেই এগিয়েছিল ।  পুলিস তাদের ওয়াকিটকির বার্তায় অনুব্রত মণ্ডলের যাত্রা পথ বর্ণনাও করছিলেন । ঠিক তখনই সব হিসেব পাল্টে গেল । পথ পাল্টে ফেলল কেষ্টর গাড়ি ।  নিজাম প্যালেসের বদলে স্টিয়ারিং ঘুরতে শুরু করল এসএসকেএমের দিকে ।

টিভিতে ব্রেকিং নিউজ । অসুস্থ অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এসএসকেএম-এ ।  মঙ্গলবার আসানসোলে কর্মী সভা করেছিলেন ।  সেখান থেকে কলকাতার পথে রওনা দিয়েছিলেন ।  মনে করা হয়েছিল, আজ হয়তো নিজাম প্যালেসে আসবেন বীরভূমের কেষ্টদা ।  কিন্তু, কোথায় কী ! মুহূর্তে পাল্টে গেল সব হিসেবে-নিকেশ ।

'অসুস্থ' অনুব্রত মণ্ডলের গাড়ি থামল এসএসকেএম-এর দরজায় ।  দ্রুত তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল ভিতরে ।  ডাক্তাররা পরীক্ষা করলেন । জানা গেল, শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে । অক্সিজেনের সমস্যা হচ্ছে । তাই দ্রুত ভর্তি করা হল হাসপাতালে ।  সিবিআইকে চিঠি দিলেন অনুব্রতর আইনজীবী । জানালেন, সিবিআইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে নিজাম প্যালেসে যাওয়ার সব রকম ইচ্ছে ছিল তাঁর মক্কেলের । কিন্তু, শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি তা পারলেন না ।

গরু পাচারকাণ্ডে এর আগে অনুব্রত মণ্ডলকে চার বার ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু কোনওবারই তিনি হাজিরা দেননি। নানা কারণে সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। কলকাতা হাই কোর্ট থেকে রক্ষা কবচও পেয়েছিলেন। ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের পর পঞ্চমবার অনুব্রত মণ্ডলকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। রক্ষাকবচ খারিজের পরেই অনুব্রত মণ্ডলকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মাসখানেক আগে কলকাতা হাই কোর্টই সিবিআইয়ের গ্রেফতারি থেকে অনুব্রতকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল। রক্ষাকবচ পাওয়ার দিনই তারাপীঠে মহাযজ্ঞের আয়োজন করেন। কিন্তু পঞ্চমবার সিবিআই তলবের আগে হাই কোর্ট তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। একক বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখে বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছিলেন, ‘‘বার বার আদালতকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। কোনও তদন্তে আদালত এ ভাবে সিবিআইয়ের হাত বাঁধতে পারে না।’’

এ দিন এসএসকেএম-এ গিয়ে প্রথমে ভিভিআইদের জন্য নির্ধারিত সাড়ে বারে নম্বর ওয়ার্ডে ঢুকে পড়েছিলেন কেষ্ট । পরে দ্রুত সেখান থেকে ২১১ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয় । আপাতত এটাই কেষ্টর ঠিকানা ।

Tags : Anubrata Mandal

শেয়ার করুন


© R.P. Techvision India Pvt Ltd, All rights reserved.