ওয়েবডেস্ক- ভোটের (2026 Assembly Election) আগে আশাকর্মীদের (ASHA Wokers) বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ শহর কলকাতার রাজপথ। আগামীকাল তারা ধিক্কার দিবস পালন করবেন। জেলায়, জেলায় ব্লকে ব্লকে প্রতিবাদ চালাবেন তারা। যেহেতু ধর্মতলায় তাদেরকে যেতে দেওয়া হল না তারা এসএনব্যানার্জি রোডের (SN Banerjee) বসে তাদের অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন। সেইসঙ্গে তাদের কর্ম বিরতি চালিয়ে যাবেন তারা।
এতদিন ফোনে তারা সাহায্য করছিলেন বলে দাবি, তবে আজ থেকে তারা কোনও রকম স্বাস্থ্য পরিষেবা দেবেন না। তাদের দাবি ১৫ হাজার টাকার ন্যূনতম বেতন, সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীর স্বীকৃতি, কর্তব্যরত অবস্থায় মারা যাওয়াদের পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে দেওয়া ও বকেয়া সব ভাতা মিটিয়ে দিতে বলে দাবি তুলে বেশ কয়েকদফা দাবিতে রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন আশাকর্মীরা। টানা ৩০ দিন ধরে রাজ্য জুড়ে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা। স্বাস্থ্য ভবনে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করছেন আশা কর্মীরা। দফায় দফায় উত্তেজনা বাড়ছে।
আরও পড়ুন- ‘আশাকর্মীদের নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে’, প্ররোচনায় পা না দেওয়ার বার্তা চন্দ্রিমার
প্রসঙ্গত, বেতন বৃদ্ধির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলনে সামিল রয়েছেন আশাকর্মীরা। এই মুহূর্তে তাঁরা প্রত্যেকে ৫২৫০ টাকা বেতন পান। বর্তমান বাজারে সেই টাকায় তাঁদের চলে না, তাই অন্ততপক্ষে ১৫ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। আশাকর্মীদের (Asha Workers Swasthya Bhawan Abhijan) দাবি, গত ১৫ তারিখ তাঁরা সময় চেয়েছিলেন কিন্তু স্বাস্থ্য সচিব জানান তিনি ছুটিতে থাকবেন। তাই ২১ তারিখ আসতে বলা হয়েছিল। সেইমতোই আজ স্বাস্থ্যভবন অভিযান কর্মসূচি নিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। শিয়ালদা স্টেশনে ধরপাকড়, আশাকর্মীদের আটক অভিযান ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আটক করে নিয়ে যাওয়া হলেও স্লোগান থামেনি তাঁদের।
গতকালই আশাকর্মীদের (Asha Karmi) পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভর্টাচার্য (Chandrima Bhartacharya)। একই সঙ্গে চন্দ্রিমা বলেন, ‘আশাকর্মীদের নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে’, তাদের বিশেষ একটি দলের প্ররোচনায় পা না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। চন্দ্রিমা বলেন, আশা কর্মীদের এই প্রকল্প National Health Mission –এর অন্তর্গত। এই প্রকল্পে ৪,৫৪২ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকার এখনও দেয়নি রাজ্যকে। ফান্ড না এলেও আমরা আমাদের থেকে টাকা দিই।







