ওয়েব ডেস্ক : কিছু দিন আগেই ছিল সরস্বতী পুজো। কিন্তু তার আগেই মণ্ডব থেকে প্রতিমা চুরির চেষ্টার অভিযোগ উঠল বিজেপি (BJP) কর্মীর বিরুদ্ধে। এমনই ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর থানার বেলঘরিয়া গ্রামে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। ঘটনাটি সামনে আসার পরেই ওই বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছিল স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতৃত্বের তরফে। এবার এই ঘটনা নিয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হল।
তৃণমূলের (TMC) তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয়েছিল। সেখানে লেখা হয়েছে, “বাংলা শান্ত রয়েছে, সহ্য হচ্ছে না বিজেপির! যেনতেনপ্রকারেণ সাম্প্রদায়িক অশান্তি বাঁধিয়ে রক্ত ঝরানোর ধান্দা বাংলা-বিরোধী দলটার। শান্তিপুরে রাত ১২টার সময় মণ্ডপে ঢুকে সরস্বতী প্রতিমা চুরির চেষ্টা এক যুবকের। স্থানীয়রাই বলছে, অভিযুক্ত যুবক সুবীর বিশ্বাস বিজেপির সক্রিয় কর্মী। প্রতিমা ভেঙে ধর্মে-ধর্মে সংঘর্ষ লাগানোর চেষ্টা কার নির্দেশে?” সঙ্গে লেখা হয়েছে, “বিজেপি শুনে রাখো, বাংলার মানুষ সদাজাগ্রত। মানুষ বুঝে গিয়েছে বাংলার শত্রু কারা। কোনও ষড়যন্ত্রই সফল হবে না দিল্লির জমিদারদের।”
আরও খবর : তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম, বাড়ি ভাঙচুর, আহত ১২
জানা গিয়েছে, প্রতি বছরের মতো চলতি বছরেও বেলঘরিয়ার স্থানীয় মহিলারা সরস্বতী পুজোর আয়োজন করেছিল। অভিযোগ, শুক্রবার রাত ১২টা নাগাদ সুবীর বিশ্বাস নামে এক যুবক সরস্বতী ঠাকুর নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। স্থানীয়দের নজরে বিষয়টি আসতেই, সেখানে প্রতিমা রেখে ওই যুবক চম্পট দেয় বলে খবর। ঘটনার খবর সামনে আসতেই এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তিনি সক্রিয় বিজেপি (BJP) কর্মী। ইতিমধ্যেই ঘটনাটির প্রেক্ষিতে শান্তিপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ।
এই ঘটনার পরে শনিবার দুপুরে শান্তিপুর- ফুলিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে অবস্থান বিক্ষোভ করে তৃণমূল। দোষীকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযোগ দায়েরের পরেই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ (Police)।
দেখুন আরও খবর :







