আরজি কর-কাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন দীর্ঘ সময় কলকাতায় ছিলেন ভি চন্দ্রশেখর। একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। গুজরাত ক্যাডারের ২০০০ সালের ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার এর আগেও পুণেতে নিহত সমাজকর্মী নরেন্দ্র দাভোলকরের খুনের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে যুক্ত ছিলেন। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, অধস্তনদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক মনোভাব এবং নেতৃত্বদানের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
আরও পড়ুন: SIR শুনানিকেন্দ্রে হয়রানির অভিযোগ মন্ত্রী শশী পাঁজার
কেন্দ্রের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ‘বিশেষ পরিষেবা’র জন্য চন্দ্রশেখরকে এই পুলিশ পদক দেওয়া হচ্ছে। যদিও সরকারি বিবৃতিতে আলাদা করে আরজি কর মামলার উল্লেখ নেই, তবে সাম্প্রতিক অতীতে এই হাই-প্রোফাইল মামলার সঙ্গে তাঁর যুক্ত থাকার বিষয়টিকে পদকপ্রাপ্তির অন্যতম কারণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
চন্দ্রশেখর ছাড়াও বিশেষ পরিষেবার জন্য পুলিশ পদক পাচ্ছেন পুলিশ সুপার অমিত শ্রীবাস্তব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকেশ শর্মা, সাব-ইনস্পেক্টর প্রমোদকুমার যাতি, সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর চমন লাল এবং হেড কনস্টেবল রামু গোল্লা। পাশাপাশি, ‘মেধাবী পরিষেবা’র জন্য সিবিআইয়ের আরও ২৫ জন আধিকারিককে সম্মানিত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আরজি কর-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে প্রথমে কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে গেলে তাঁকে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিবিআই চার্জশিট জমা দেওয়ার পর শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়। তবে ধর্ষণ-খুনের পাশাপাশি হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত এখনও চলছে। এই মামলায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই, তিনি বর্তমানে জেলবন্দি।