কলকাতা: শোভন চট্টোপাধ্যায় (Shovan Chatterjee) ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের (Ratna Chatterjee) বিবাহবিচ্ছেদ মামলা খারিজ। স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করতে চেয়ে মামলা করেছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় (Shovan Chatterjee)। আট বছর ধরে আলিপুর আদালতে সেই মামলা চলার পরে শুক্রবার তা খারিজ করে দিলেন বিচারক। অন্যদিকে, পাল্টা রত্না শোভনের সঙ্গে একত্রবাসের আর্জি জানিয়েছিলেন আদালতে। বিচারক তা-ও খারিজ করে দিয়েছেন।
২০১৭ সালে বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে আলিপুর আদালতে মামলা করেছিলেন শোভন। রত্নার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এমনকী, নিষ্ঠুর আচরণের অভিযোগ তুলে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানিয়ে শোভন বলেছিলেন, রত্না নিজের বাচ্চাদের দেখেন না। টাকাপয়সা নয়ছয় করেন। কিন্তু, কোনও অভিযোগই আদালতে প্রমাণ করতে পারেননি শোভনের আইনজীবী। অভিযোগগুলি প্রমাণিত না হওয়ায় শোভনের আইনত বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন খারিজ করে দেন আলিপুর আদালতের ফার্স্ট অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট জজ রাজেশ চক্রবর্তী। অন্যদিকে পাল্টা রত্না শোভনের সঙ্গে ঘর করতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। এদিন সেই আবেদনও খারিজ করে দেয় আদালত। কাউকে একসঙ্গে থাকতে বলে জোর করা যায় না। এদিন আদালতের রায়ের পর রত্না বলেন, “আট বছর ধরে অন্যায়ের সঙ্গে লড়ছি। বাচ্চাদের উপর মানসিকভাবে যে অত্যাচার করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আট বছর ধরে লড়াই করেছি। আমার সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি, বাপেরবাড়ির লোকজন ও আইনজীবীরা লড়েছেন। আমি বিশ্বাস করি। আমাদের এই রায়টা সমাজের উপর প্রতিফলিত হবে। কারণ, পুরুষশাসিত সমাজে মহিলারা যেভাবে নির্যাতিত হন এবং ক্ষমতার কাছে হেরে যান। সেখানে আমি এই লড়াই লড়তে পেরেছি।”
আরও পড়ুন: অযোগ্যপ্রার্থী কতজন জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট
রায়ের পরে খুশি শোভন-রত্নার পুত্র ঋষি চট্টোপাধ্যায়ও। তিনিও মায়ের জয়কে বাংলা তথা গোটা দেশের ‘নিপীড়িত’ মহিলাদের জয় হিসাবেই তুলে ধরতে চেয়েছেন। বাবার উদ্দেশে ঋষি বলেন, ‘‘প্লিজ পাপা, কামব্যাক পাপা। নাথিং ইজ টু লেট। উই উইল ফিক্স ইট ।
দেখুন খবর: