ওয়েব ডেস্ক: এসআইআর-র কাজ এত দ্রুত কী করে সম্ভব , ভুলভ্রান্তি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে অনেক, এইসব প্রশ্ন তুলে আগেই সরব হয়েছিল তৃণমূল। প্রতিবাদে বারবার রাজপথে নেমেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই প্রতিবাদ পৌঁছেছে দিল্লি পর্যন্তও। এনিয়ে কমিশনের সঙ্গে যথেষ্ট দ্বন্দ্বও তৈরি হয়েছে। অবশেষে সেই চাপের কথা মেনে নিয়ে রবিবার বাংলা-সহ ১২ রাজ্যে ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় আরও বাড়াল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এরপরই সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনকে কার্যত একহাত নিলেন রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীরা।
রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পার্থ ভৌমিক। তারা বলেন, প্রমাণিত হল যে তৃণমূল এতদিন ধরে যা বলছিল, তা যুক্তিগ্রাহ্য। সেই কারণেই তো নির্বাচন কমিশন এই সময়সীমা বাড়াতে বাধ্য হল।” এরপরও চন্দ্রিমার প্রশ্ন, ”কিন্তু তাড়াহুড়োয় কাজ করতে গিয়ে যে ৪০ জনের মৃত্যু হল, তার দায় কে নেবে?” এই প্রশ্ন কার্যত কমিশনের দিকে ছুঁড়ে দেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আর কী জানাল কমিশন?
রবিবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানান হয়, এসআইআরের প্রক্রিয়া হিসেবে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন ৪ ডিসেম্বর নয়, ১১ তারিখ। খসড়া ভোটার তালিকা ৯ ডিসেম্বরের বদলে ১৬ তারিখ এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনও পরিবর্তিত হয়েছে। আগামী বছরের ৭ ফেব্রুয়ারির বদলে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে সেই তালিকা। সময়সীমা বাড়ানোয় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বিএলও-রা।
দেখুন খবর:







