নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রামের (Nandigram) রেয়াপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে চরম চিকিৎসা গাফিলতির অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি এক গৃহবধূ গভীর রাতে মেঝেতেই ছটফট করতে থাকেন বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, সেই সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার ও নার্সরা ঘুমিয়ে ছিলেন। বারবার ডাকাডাকি করেও প্রথমে কোনও সাড়া মেলেনি (District news)।
পরিবারের অভিযোগ, পরে লেবার রুমে নিয়ে যেতে বলা হলেও কার্যত কোনও চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়নি। শুধু “এখন কিছু হয়নি” বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যান নার্সরা। শেষ পর্যন্ত নিরুপায় হয়ে প্রসবের সময় শাশুড়িকেই হাত লাগাতে হয়। ততক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং সদ্যোজাত শিশুটি অসুস্থ অবস্থায় জন্ম নিয়ে মারা যায়।
আরও পড়ুন: SIR শুনানির লাইনে প্রতারণার ফাঁদ! রাতারাতি ফাঁকা ৩৪ অ্যাকাউন্ট
ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে চরম গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার। বিজেপির পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ব্যর্থতার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিজেপির দাবি, ঢিলছোড়া দূরত্বে শাসকদলের সেবাশ্রয় ক্যাম্প চললেও নন্দীগ্রামের হাসপাতালগুলির এমন বেহাল অবস্থা।
অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, কোনও মৃত্যুই কাম্য নয়। দলগত ও প্রশাসনিকভাবে ঘটনার তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত চিকিৎসক ও হাসপাতালের নার্সেরা এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। মৃত সদ্যোজাতের মা নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের ঘোলপুকুর গ্রামের বাসিন্দা মোহন মাইতির স্ত্রী বলে জানা গিয়েছে।







