আলিপুরদুয়ার: দক্ষিণবঙ্গে কর্মসূচি শুরু করে এবার সোজা উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেগা সভা (Abhishek Banerjee Alipurduar Meeting)। শনিবার আলিপুরদুয়ারের মাঝেরডাবরি চা বাগানে সভা থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে ম্যাজিশিয়ান বলে কটাক্ষ অভিষেকের। শুক্রবার বারুইপুরের সভাতে অভিষেককে বলতে শোনা গিয়েছিল, বাঙালি কী, বুঝিয়ে এসেছি।এবার গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি বাংলা কী।পরেরবার মমতা যাবেন। বারুইপুরের পর আলিপুরদুয়ারের সভা থেকেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar Chief Election Commissioner) ম্যাজিশিয়ান বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘জীবন্ত লোককে মৃত বলে ঘোষণা করে দিয়েছে। ম্যাজিশিয়ান না হলে এরকম করতে পারেন? কালকেই ওই ভূতেদের হাঁটিয়েছিলাম।’অভিষেক আরও বলেন, আমরা দিল্লির নির্বাচন কমিশনের অফিসে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, তথ্য দিন। সকলে জানুক সমস্ত তথ্য। জ্ঞানেশ কুমার কে জানেন? জাদুকর। উনি জ্যান্ত মানুষকে মেরে দিতে পারেন। মরা মানুষকে হাঁটাতে পারেন। উনি ভ্যানিশ কুমার। এ বার আপরনারা ম্যাজিক করে বিজেপিকে হটিয়ে দিন।
নতুন বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসজুড়ে ‘আবার জিতবে বাংলা’ কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল। সেই কর্মসূচির অংশ হিসাবে জেলায় জেলায় ‘রণসংকল্প সভা’ করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দক্ষিণবঙ্গে কর্মসূচি শুরু করে এবার সোজা উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেগা সভা (Abhishek Banerjee Alipurduar Meeting)। শনিবার আলিপুরদুয়ারের মাঝেরডাবরি চা বাগানে সভা থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে সরব হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শুরুতে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বিজেপিকে তুলোধোনা করে বলেন, আলিপুরদুয়ারে সব আসনে হেরে গিয়েছে তৃণমূল। তারপরও কেউ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বঞ্চিত হয়নি। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে বলেন, “১০০ দিনের টাকা ৫ বছর ধরে বন্ধ করে রেখেছে কেন্দ্র। বাংলায় হারের পর টাকা বন্ধ। তৃণমূল হারলেও একজনের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলতে পারবনে না। তিনি আরও বলেন, বিজেপির নেতারা প্রকাশ্যে বলে, আমরা টাকা বন্ধ করে দেব। আমরা মিথ্যা কথা বলি না, কথা দিলে কথা রাখি।
এসআইআরের সঙ্গে নোটবন্দির তুলনা করেন অভিষেক। তিনি বলেন, ‘‘এই মোদি সরকার নতুন স্বপ্ন দেখিয়ে ১০ বছর আগে সকলকে লাইনে দাঁড় করিয়েছিলেন। দেখা গেল কালোধন আরও বেড়ে গেল। ১০ বছর পর আবার মানুষকে লাইনে দাঁড় করালেন। আগে জনতা সরকার গড়তেন। এখন সরকার ঠিক করছে ভোটার কে হবেন। উত্তরবঙ্গে বন্যার সময়ে বিজেপির কে এসেছিলেন? প্রশ্ন করলেন অভিষেক।দিদি এসেছিলেন। বাড়ি করেছেন, সেতু করেছেন। এ বার ভোট আসছে। আবার বিজেপির নেতারা আসবেন। যখন কোনও ভোট ছিল না, তখনও মালবাজারে এসেছে। ২০২২ সালে তো ভোট ছিল না। আমরা এসেছিলাম, কারণ রাজনীতি শুধু ভোটের সময়ের জন্য নয়। জনসেবা করতে এসেছেন যখন ২৪ ঘণ্টা থাকতে হবে। সকলকে ভোটদানের আর্জি অভিষেকের।







