আলিপুরদুয়ার: বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)। নতুন বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসজুড়ে ‘আবার জিতবে বাংলা’ কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল। সেই কর্মসূচির অংশ হিসাবে জেলায় জেলায় ‘রণসংকল্প সভা’ করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।শুক্রবার বারুইপুর থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন অভিষেক। শনিবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে টার্গেট বেঁধে দিলেন তিনি। একুশের নির্বাচনে আলিপুরদুয়ারের ৫টি আসনেই হেরেছিল তৃণমূল৷ এবার সেই আলিপুরদুয়ারকে বিজেপি’র হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়াই যেন চ্যালেঞ্জ অভিষেকের৷ সভা থেকে ‘পাঁচে পাঁচ করে দিন তৃণমূলকে… বললেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। আলিপুরদুয়ার থেকে ‘বিজেপিকে আনম্যাপ’ করে দেওয়ার ডাক অভিষেকের।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করেছিলেন অভিষেক৷ প্রচারের দ্বিতীয় দিনেই তিনি গেলেন বিজেপির খাস জমি আলিপুরদুয়ারে৷ সাধারণ মানুষের সামনে রাখলেন আর্জি৷ বললেন, ‘‘বিজেপি-কে উচিত শিক্ষা দিতে হবে৷ আর উচিত শিক্ষা দিতে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে লাইে দাঁড়াতে হবে৷ অভিষেক বলেন, সাধারণ মানুষের সামনে রাখলেন আর্জি৷ বললেন, বিজেপি-কে উচিত শিক্ষা দিতে হবে৷ আর উচিত শিক্ষা দিতে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে লাইে দাঁড়াতে হবে৷ আলিপুরদুয়ারের প্রতিদানের সময় ছাব্বিশের নির্বাচন”, টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক।আলিপুরদুয়ারে পাঁচে পাঁচ করতে হবে। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে আনম্যাপ করে দিন।
আরও পড়ুন:‘পিসি সরকারের থেকেও বড় জাদুকর ভ্যানিশ কুমার’ বিস্ফোরক অভিষেক
তিনি বলেন, ‘‘এ বার আলিপুরদুয়ারকে কথা দিতে হবে। এ বার সাড়ে চারশো বুথেই তৃণমূলকে জেতাতে হবে। তবেই বিজেপিকে শিক্ষা দিতে পারবেন। একটা বুথও ছাড়লে চলবে না। আপনি যদি প্রতিঘাত না করেন… এখনই আপনার ভোটাধিকার কাড়তে চাইছে। বাংলায় লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। এখানেই ওদের নেত্রী এই কাজ করেছিলেন। তাঁকে এখনও শাস্তি দেয়নি ওরা।’শুধু বলে চলে যাওয়া নয়, পাল্টা জনতার কথা শুনতে চাইলেন নেতা।তিনি বলেন, ‘‘একতরফা বলে চলে যাব না। আপনারা প্রশ্ন করুন। আমি সীমিত সময়ের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা করব।’’একে একে অনেকের সমস্যার কথা শোনেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চা-শ্রমিকদের সমস্যার কথা, এসআইআর নিয়ে অনুসন্ধান, পাট্টা নিয়ে জিজ্ঞাসা— সব কিছু শুনে সমাধান জানান অভিষেক। কোনও কোনও সমস্যার কথা শুনে বলেন, ‘‘আর একটু সবুর করুন। সরকার বলেছে যখন করবেই।’’চা-শ্রমিকদের কাছ থেকে অভিযোগ শুনলেন অভিষেক। তাঁদের স্বাস্থ্য পরিষেবার সমস্যা শোনেন। ‘বঞ্চিত’ চা-শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারগুলিকে যথাযথ পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি অভিষেকের।







