ওয়েবডেস্ক- SIR শুনানিতে (SIR Hearing) বিভ্রাট, বিতর্ক অব্যাহত। এবার ডাক পড়েছে এক শতায়ু বৃদ্ধের। নোটিস পেয়ে শীর্ণ হাতে আতঙ্কে অশীতিপর বৃদ্ধ অধীর দে ( Adhir Dey) । এবার বেলঘরিয়া (Belgharia) । SIR শুনানিতে নাম এসেছে বেলঘরিয়ার ১০০ বছরের অধীর দে’র। শুনানির কাগজ হাতে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন শতায়ুর অসুস্থ অধীরবাবু। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে যত গুলো ভোট হয়েছে সব ভোট তিনি দিয়ে এসেছেন। এখন তার ভয় এবারের ভোটটা তিনি দিতে পারবেন তো? যদি না ভোট দিতে পারেন তা হলে তার মৃত্যুর আগে সেটা মর্মান্তিক আঘাত বলেই তিনি মনে করেন।
বয়েস একশো বছর চলছে বেলঘরিয়ার রবীন্দ্র কাননের বাসিন্দা অধীর দে। ১৯৪৯ সালে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ থেকে চলে আসা এই দেশে। বসবাস বেলঘরিয়ার রবীন্দ্র কাননে। স্বাধীনতার পর যত ভোট হয়েছে সব ভোটে দিয়েছেন এই বার কি হবে, কারন এস আই আররের শুনানি তে তার নাম এসেছে, কেন তার নাম এসেছে তিনি যানেন না। তার পক্ষে শুনানি কেন্দ্রে যাওয়া সম্ভব না। কারন তিনি ঠিকমতন হাটতে পারেন না। অসুস্থ দুর্বল শরীর। তাই চিঠি পাওয়ার পর থেকেই সেই কাগজ নিয়ে তিনি বসে আছেন। তার বাড়িতে যদি কোন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক আসে তা হলে তিনি দেখাবেন। না হলে ১৪ তারিখ যে তাকে ডাকা হয়েছে বেলঘড়িয়া দেশপ্রিয় বিদ্যানিকেতনে সেখানে তার পক্ষে যাওয়া একদমই সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন- প্রতীক জৈনের প্রতীকের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী
এত বছর ধরে তিনি ভোট দিয়ে এসেছেন তিনি যদি না যেতে পারেন, কেউ যদি না আসে তার কাছে, যদি ভোটে নাম না ওঠে এই চিন্তা তে দিন রাত কাটাচ্ছেন। যদি ভোট না দিতে পারে এই শেষ বয়েসে যেটা তার কাছে চরম আঘাত হবে। আর এই নিয়েই তিনি দুশ্চিন্তার প্রহর গুনছেন। তার আত্মিয় সজন প্রতিবেশীরা সবাই চান তার বাড়িতে আসুন নির্বাচন কমিশনের যারা কাজ করছেন। আনেকে মনে করছেন যেহেতু তার বয়স একশো তাই তিনি আদতে বেঁচে আছেন কিনা সেটা দেখার জন্য তাকে ডাকা হয়েছে। এখন দেখার নির্বাচন কমিশন যারা দায়িত্বে আছেন তারা তার বাড়িতে আসেন কিনা।







