বসিরহাট: অশান্ত সন্দেশখালি(Sandeshkhali) আক্রান্ত পুলিশ। এ বার পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ উঠল (Sandeshkhali Allegations of Attack on Police)। ভাঙচুর করা হল পুলিশের গাড়িও। একজন অফিসার সহ তিন পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার ৯। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান। অভিযোগের আঙুল ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা, তৃণমূল কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত মুসা মোল্লা এবং তাঁর অনুগামীদের দিকে।
ন্যাজাট থানা রাজবাড়ি আউটপোস্টের পুলিশ আধিকারিক মুসা মোল্লা নামে এক ব্যক্তির এড়িয়ে জমি সংক্রান্ত বিবাদকে কেন্দ্র করে হুলো পাড়ায় গিয়েছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুসা মোল্লার বিরুদ্ধে ওই এলাকায় অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল (land dispute)। ভেড়ি সংক্রান্ত ব্যাপারে অনেকদিন আগে বসিরহাট মহকুমা আদালত স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। কিন্তু সেটি তিনি আদালতের নির্দেশ কোনমতে মানছিলেন না। তারপর ন্যাজাট থানার পক্ষ থেকে একাধিকবার তাকে নোটিশ করা হয় তাকে ডাকাডাকি করা হয় তারপরে তিনি আসছিলেন না। তারপর এই মুসা মোল্লার নামে মামলা রুজ করে গতকাল যখন পুলিশ আধিকারিকরা তার বাড়িতে যায় খুঁজতে। বাড়িতে পেয়ে মুসা মোল্লাকে রাজবাড়ি ফাঁড়িতে নিয়ে নিয়ে আসার কথা বলেন। তখনই তিনি তার অনুগামীদের ডেকে পাঠায়।এর পরই পুলিশের উপর চড়াও হয় লোকজন। শুরু হয় ইটবৃষ্টি, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। ধস্তাধস্তিতে এক পুলিশ আধিকারিক-সহ চার জন আহত হন। তাঁদের মিনাখাঁ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ২৬ এর ঝোড়ো ভোট প্রচারে অভিষেক, আলিপুরদুয়ারের পর ৬ জানুয়ারি বীরভূম
ঘটনাস্থলে আসেন রাজবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির আধিকারিক।এরপর বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করে। এই হুলোপাড়া বয়ারমারি দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান কে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। গ্রেফতার করা নয়জনকে আজ বসিরহাট মহাকুম আদলাতে পাঠানো হবে।এই ঘটনার পর গোটা এলাকা জুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাতভর টহল চালানো হয়।







