ওয়েব ডেস্ক: বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman) কেকেআর (KKR) দলে না রাখার নির্দেশ ঘিরে বিসিসিআই-এর (BCCI) বিরুদ্ধে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। ইতিমধ্যে কংগ্রেস (Congress) সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor) এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আসলে কাকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে—একটি দেশকে, একজন খেলোয়াড়কে, না কি তাঁর ধর্মকে? এই প্রশ্ন তুললেন তিনি।
শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শশী থারুর লেখেন, বিসিসিআই থেকে কেকেআরকে জানানো হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দিতে হবে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁর মতে, যদি মুস্তাফিজের জায়গায় লিটন দাস বা সৌম্য সরকারের মতো অন্য কোনও বাংলাদেশি ক্রিকেটার থাকতেন, তাহলে কি একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হত? থারুরের প্রশ্ন, “খেলার এই নির্বোধ রাজনীতিকরণ আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে?”
Recalling my views on the subject, now that @bcci has deplorably pulled the plug on @Mustafiz90. And what if the Bangladeshi player in question had been @LittonOfficial or @soumyasarkar_06? Who are we punishing here: a nation, an individual, his religion? Where will this mindless… https://t.co/KSftpw0YGa
— Shashi Tharoor (@ShashiTharoor) January 3, 2026
আরও পড়ুন: কেন IPL থেকে বাদ মুস্তাফিজুর? নেপথ্যে কি শুধুই রাজনৈতিক বিতর্ক?
এর আগেও তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টির সঙ্গে ক্রিকেটকে জড়ানোর কোনও যুক্তি নেই। মুস্তাফিজ একজন পেশাদার ক্রিকেটার, যিনি কখনও ঘৃণা ছড়াননি, কাউকে আক্রমণ করেননি কিংবা কোনও সহিংসতার সমর্থন করেননি। থারুরের আশঙ্কা, ভারত যদি প্রতিবেশী দেশগুলিকে এভাবে দূরে ঠেলে দেয়, তাহলে ভবিষ্যতে কেউই আর খেলতে আসবে না, যার ক্ষতি শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটেরই হবে। তাঁর মতে, এই ক্ষেত্রে ভারতের আরও উদার মনোভাব দেখানো উচিত।
তবে শুধু শশী থারুর নন, বিসিসিআই-এর এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাওলানা সাজিদ রাশিদিও। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলামের আগেই নেওয়া উচিত ছিল, কারণ বাংলাদেশের পরিস্থিতি সকলেরই জানা ছিল। তাঁর অভিযোগ, এই সিদ্ধান্ত বিভাজনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই নেওয়া হয়েছে।
দেখুন আরও খবর:







