ওয়েবডেস্ক- কপ্টার কাণ্ডে দীর্ঘ টালবাহানার পর এদিন নির্দিষ্ট সময়ের পরে বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাটে (Rampurhat) পা রাখলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এই রামপুরহাট থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন অভিষেক হুঙ্কার দেন ‘এক ছটাক জমিও বিজেপি ছাড়া যাবে না। এমনভাবেই লড়াই করতে হবে। এরা যদি আমাদের বন্দি করতে চায়, উল্টে আমাদের এদেরকে বন্দি করতে হবে। পাপের ঘড়া পূর্ণ, আগামীদিনে বীরভূমে মাটিতে বিজেপি শূন্য। এদিন বীরভূমের মাটি থেকে হুঙ্কার দেন, ২৫০ আসনে তৃণমূলকে জেতাতে হবে। না হলে যে দলটা ৭০টা আসন পেয়ে আসন পেয়ে চিকেন প্যাটিস বিক্রেতাকে মারছে, একবার ভেবে দেখুন ক্ষমতায় থাকলে কী করবে। কে ফিস ফিঙ্গার খাবে, আর কে মাছের ঝোল খাবে ঠিক করবে দিল্লিতে বসে থাকা বিজেপি নেতারা। সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইভিএম বোতাম এমনভাবে টিপবেন, যে বাংলার বিরোধী বিজেপি নেতাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
অভিষেকের হুঙ্কার এবার বীরভূমকে ১১-০ করতে হবে। রামপুরহাটের মঞ্চ থেকেই বীরভূমে তৃণমূলের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে চিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বলেন, এবার ১০-১ করলে হবে না, বীরভূমে তৃণমূলকে ১১-০ করতে হবে। যতই এসআইআর হোক, তৃণমূলের ভোটার বাড়বে। যে বুথে লিড ১০০, যেখানে ১১০ করতে হবে।
আরও পড়ুন- হেমন্ত সোরেনের চপারে অবশেষে রামপুরহাটে পৌঁছলেন অভিষেক
উল্লেখ্য, এদিন কপ্টার বিভ্রাটের জেরে অনেক দেরিতে বীরভূমের রামপুরহাটের কর্মসূচিতে পৌঁছে যান। মঙ্গলবার দুপুরে বেহালা থেকে হেলিকপ্টারে করে বীরভূমের সভায় যাওয়ার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ার পরেও অনুমতি মেলেনি। বেলা গড়িয়ে যায়। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট হয়ে গেলেও উড়তে পারেনি কপ্টার। ডিজিসিএ-র তরফে এই নিয়ে কোনও কারণ জানানো হয়নি। অগত্যা রামপুরহাটে পৌঁছতে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রি হেমন্ত সোরেনের কাছ থেকে হেলিকপ্টার ভাড়া করেন। রামপুরহাটে পৌঁছেই চপার বিভ্রাট নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। নাম না করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তুলোধনা করেন তিনি। গোটা বিষয়টি নিয়ে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।







