Wednesday, January 28, 2026
HomeScrollআনন্দপুর কাণ্ডে মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা...
Anandapur Incident

আনন্দপুর কাণ্ডে মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা মেয়রের

আনন্দপুর কাণ্ডে গ্রেফতার গোডাউন মালিক

কলকাতা: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের (Anandapur Fire Incident) ৪২ ঘণ্টা পর আটক গুদামের মালিক। ঘটনায় গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে আটক করে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। পূর্ব মেদিনীপুরে তাঁর বাড়ি থেকেই অভিযুক্তকে ধরেছে পুলিশ। তাঁকে বারুইপুরে জেলা পুলিশ দফতরে নিয়ে আসা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় গুদামের মালিককেষ। বুধবারই তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে বলে সূত্রে খবর। আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃত এবং নিখোঁজদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করা হবে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর এ কথা জানান কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

আনন্দপুরের মোমো কোম্পানির গুদামের লাগায়ো ছিল ওই ডেকরেটার্সের গুদামও। রবিবার রাত ৩টে নাগাদ জোড়া গুদামে আগুন লাগে। ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পর সেখানে ইতিউতি আগুন জ্বলছে। কী ভাবে আগুন লাগল, সেখানে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা আদৌ ছিল কি না— এমন নানা প্রশ্ন ঘুরছে। পুলিশ সূত্রে এখনও পর্যন্ত আট জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে আরও অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নিখোঁজদের খোঁজ চলছে। আদৌ তাঁরা বেঁচে আছেন, বেঁচে থাকলে কোথায় আছেন— তা জানা নেই। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: এখনও ধিকিধিকি আগুন, আনন্দপুরে পুড়ে খাক বহু প্রাণ, পায়ে ঠেকছে হাড়ের টুকরো

পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ডেকরেটার্স মালিকের নাম গঙ্গাধর দাস।তদন্তে নেমে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের (Narendrapur Police) একটি দল মেদিনীপুরে হানা দেয় (Anandapur fire incident)। মেদনীপুরের বাড়ি থেকে গঙ্গাধর দাসকে আটক করা হয়। গুদাম মালিক এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার দায় চাপিয়েছেন মোমো সংস্থার ঘাড়ে। জানা গেছে, যে গুদামে আগুন লেগেছে সেখানে পুরো জমিটারই মালিক ছিলেন গঙ্গাধর। মোমো কোম্পানি ডেকরেটার্সের গোডাউন লিজে নিয়েছিল। গুদাম মালিকের বিরুদ্ধে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে। এরম একটা গোডাউনে এতগুলি শ্রমিক কাজ করতেন, অথচ সেখানে কোনও অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র (Fire Extinguisher) নেই। বাইরে বেরোনোর পথও নেই।এই মামলায় গঙ্গাধর দাসকে অফিসিয়ালি গ্রেফতার দেখানো হবে।

মঙ্গলবার দুপুরের পর ঘটনাস্থলে যান ফিরহাদ। তিনি জানান, পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আগুনটা খুব ভয়াবহ লেগেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।’ বেআইনি ভাবে কি এই গুদামে কাজ হচ্ছিল? তাদের কাছে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ছিল কি? কলকাতা পুরসভা কেন পদক্ষেপ করল না? ফিরহাদ বলেন, ‘‘কারও রুটিরুজি বন্ধ করা ঠিক নয়। জলাজমি কি না, তা আমার জানা নেই।’’ তিনি আশ্বাস দেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পাশে থাকবে সরকার।পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় পাঠিয়েছেন। তিনি জানান, পরিবারপিছু ১০ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করা হবে।

Read More

Latest News