ওয়েব ডেস্ক: পঞ্চভূতে বিলীন অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar) নশ্বর দেহ।বৃহস্পতিবার বেলা সওয়া ১১টা নাগাদ বারামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠানের মাঠে পাওয়ারের নশ্বর দেহে পারলৌকিক ক্রিয়াকর্ম করলেন তাঁর দুই ছেলে পার্থ ও জয়। শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অনুষ্ঠানে হাজির মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবীশ, উপ মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যুতে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে ৩ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
বারামতীতেই রাজনৈতিক জীবনের শুরু। বিমান দুর্ঘটনায় সেখানেই জীবনের ইতি। বারামতীর আকাশে-বাতাসে শুধু অজিতদাদা অমর রহে স্লোগান।শেষশ্রদ্ধা জানাতে শেষযাত্রায় পা মিলিয়েছেন এনসিপির কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁদের অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। ভিড় থেকে স্লোগান উঠছে, ‘অজিত দাদা অমর রহে’। তার মধ্য দিয়েই রাস্তার দুপাশে জনতার স্রোত কাটিয়ে এগিয়ে চলেছে মহারাষ্ট্রের সবথেকে বেশি সময় ধরে উপমুখ্যমন্ত্রী থাকা এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ারের মরদেহবাহী গাড়ি। সকাল ১১টায় বারামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান মাঠে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল।বুধবার সন্ধ্যায় বারামতীর একটি মেডিক্যাল কলেজ থেকে অজিতের মরদেহ পুণে জেলার বিদ্যা প্রতিষ্ঠান চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে এনসিপি কর্মীরা তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানান। তারপর অজিতের কফিনবন্দি দেহাংশ ফুলে ঢাকা শকটে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর কাটেওয়াড়ির বাড়িতে। সেখানে এনসিপি নেতাকে শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্যেরা।
আরও পড়ুন: উদ্ধার বারামতির অভিশপ্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স! কী রয়েছে তাতে? দেখুন
অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার কারণ ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। এরমধ্য়েই, ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তিনি বলেন, জানি না আগামীদিনে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের ভবিষ্যতে কী লেখা আছে। মমতার পাশাপাশি কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেও ঘটনার তদন্তের দাবি তুলেছেন।শারদ বলেন, “এটি সম্পূর্ণরূপে একটি দুর্ঘটনা। এতে কোনও ষড়যন্ত্র নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তদন্তের দাবির কার্যত বিরোধিতা করে শরদ বলেন, ‘‘কলকাতা থেকে একটি প্রতিক্রিয়ায় দাবি করা হয়েছে যে এই ঘটনায় কিছু রাজনীতি জড়িত। কিন্তু এ রকম কিছুই নেই। এতে কোনও রাজনীতি নেই।মাদের সকলকে চিরকাল এই যন্ত্রণা বহন করে যেতে হবে। আমি এতে রাজনীতি না আনার অনুরোধ করছি।’’







