ওয়েব ডেস্ক : ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি পাকিস্তানে (Pakistan)। সিন্ধু ও তার উপ নদীর জলে ডুবেছে পাকিস্তানের পাঞ্জাব (Punjab) প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা। বন্যার জেরে সেখানে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, গত ২৪ ঘন্টায় সেখানে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২২ জনের। অবশ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য ভারতকেই দায়ী করেছে পাকিস্তানের অনেকে।
মূলত, প্রায় ৪০ বছর পর এমন ভয়াবহ বন্যার (Flood) কোপে পড়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। যার জেরে পাঞ্জাব প্রদেশে ডুবেছে প্রায় ১৭০০ গ্রাম। এমনকি এই বন্যার জেরে শিখদের পবিত্র তীর্থক্ষেত্র কর্তারপুরও জলের নিচে চলে গিয়েছে। এ নিয়ে লাহোরের ডেপুটি কমিশনার সৈয়দ মুসা বলেছেন, ১৯৮৮ সালে শেষবার বন্যা হয়েছিল পাকিস্তানে। তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভারতের তরফে অতিরিক্ত জল ছাড়ার কারণেই একাধিক নদী ভয়াবহ আকার নিয়েছে।
আরও খবর : যতদিন লাভজনক থাকবে, ততদিন রুশ তেল কিনবে ONGC!
অন্যদিকে পাক মন্ত্রী আহসান ইকবাল এই বন্যার জন্য ভারতকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানে যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুরু হয়েছে তার জন্য দায়ী ভারত। তাদের বিরুদ্ধে জলঅস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। পাকিস্তানের এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য ভারতের প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে সূত্রের খবর, প্রতিবার জল ছাড়ার আগে পাকিস্তানকে আগাম বার্তা দিয়ে থাকে ভারত। এবারেও তা দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে (Pahalgam Attack) ঘটে গিয়েছিল ভয়াবহ ঘটনা। জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ২৬ জন পর্যটকের। সেই ঘটনার পরেই ভারতের তরফে সিন্ধু জলচুক্তির উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। তবে পূর্বেও যেভাবে জল ছাড়ার আগে সতর্ক বার্তা দেওয়া হত, এবারেও তা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই মতো পাকিস্তানের তরফে বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতি এমন ভয়াবহ হয়ে উঠেছে যে, সেখানে ৪০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
দেখুন অন্য খবর :