ওয়েব ডেস্ক : গত কয়েক মাসে একাধিক বিষয় নিয়ে ভারত (India)-আমেরিকার (America) মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। তার মধ্যে রয়েছে শুল্ক (Tariffs) যুদ্ধ ও বাণিজ্যচুক্তি (Trade Deal)। এমন পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিকে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী হিসাবে বিবেচনা করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল ট্রাম্প প্রশাসনের (Trump administration) অন্দরে। এর মধ্যেই এবার বিশেষ কমিশন (Commission) গঠন করল মার্কিন প্রশাসন।
মূলত, চীনের (China) কথা মাথায় রেখে আমেরিকায় ২০০০ সালে গঠিত হয়েছিল ইউনাইটেড স্টেটস-চিন ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিয়োরিটি রিভিউ কমিশন। বাণিজ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে নজর রাখতে এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু এবার চীনের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন পদক্ষেপও খুঁটিয়ে দেখতে চলেছে এই কমিশন। সেখানে নয়াদিল্লি-বেজিং সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে। সঙ্গে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের (India) সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করবে কমিশন।
আরও খবর : ‘পুতিনকে বলেছি হামলা থামাতে’, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় চমক
সূত্রের খবর, এই কমিশন নিজেদের কাজ শুরু করবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। মূলত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কের পর ভারত-চীন সম্পর্কে সম্প্রতি উন্নতি হয়েছে। যা দেখে একপ্রকার নড়েচড়ে বসেছে মার্কিন প্রশাসন। অন্যদিকে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদেরকে আত্মনির্ভর হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে ভারত (India)। এবার তা নিয়েও পর্যালোচনা করতে চায় আমেরিকা। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্দরে প্রশ্ন উঠছে, চীনকে রোখার জন্য ভারতকে কি বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসাবে বিবেচনা করা যায়?
প্রসঙ্গত, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি ও বাণিজ্যচুক্তি না হওয়ার কারণে ভারতের উপর শুল্ক চাপিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পর থেকে ভারত আমেরিকার মধ্যে সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। অন্যদিকে, এসবের পরেই চীন-ভারত সম্পর্কে সম্প্রতি উন্নতি দেখা গিয়েছে। গালওয়ানের ঘটনার পর আবার দু’দেশের মধ্যে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, চীনের সংস্থাগুলিকে ভারতে বিনিয়োগের অনুমতি দিতেও পারে ভারত সরকার। আর এসব নিয়েই নড়ে চড়ে বসেছে ওয়াশিংটন। এমন পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির ভূমিকা খতিয়ে দেখতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন।
দেখুন অন্য খবর :







