ওয়েব ডেস্ক: যত দিন যাচ্ছে, ইরানের (Iran) উপর হামলার ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে আমেরিকা (USA) ও ইজরায়েল (Israel)। এবার ইজরায়েলি সেনার বিমান হামলায় প্রয়াত হলেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্তা আলি লারিজানি (Ali Larijani)। কয়েকঘণ্টা আগে এই দাবি সামনে এনেছিল তেল আভিভ। প্রথমে সেই দাবি অস্বীকার করলেও শেষ পর্যন্ত তা স্বীকার করল তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে লারিজানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে তাঁকে ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
লারিজানির মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তবে এই বিমান হামলায় শুধু লারিজানি নন, একইসঙ্গে এদিন প্রাণ হারিয়েছেন তাঁর পুত্র এবং এক দেহরক্ষীও। তাঁদের প্রতিও শোকজ্ঞাপন করেছে ইরানের নিরাপত্তা পরিষদ। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের অগ্রগতি ও ইসলামি বিপ্লবের জন্য আজীবন লড়াই করেছেন লারিজানি।
আরও পড়ুন: যুদ্ধের ধোঁয়ায় আকাশ কালো! ইরানে নামল ‘ব্ল্যাক রেন’, কতটা ভয়ংকর এই কালো বৃষ্টি?
ইরানের সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল আমির হাতানি কড়া ভাষায় ইজরায়েল ও আমেরিকাকে সতর্ক করে বলেছেন, লারিজানির মৃত্যুর প্রতিশোধ হবে চূড়ান্ত এবং ভয়ঙ্কর। একইসুরে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাতাম আল-আনবিয়ার সদর দফতরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলি আবদুল্লাহি। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) উদ্দেশ করে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইরানের জবাব হবে এমন, যা শত্রুরা কল্পনাও করতে পারবে না।
উল্লেখযোগ্যভাবে, কয়েক দিন আগেই লারিজানি প্রকাশ্যে ট্রাম্পকে হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আপনার থেকেও বড় শক্তি ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি। নিজের দিকে খেয়াল রাখুন, না হলে আপনাকেই নির্মূল করা হবে।” পাশাপাশি তিনি আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাকও দেন।
দেখুন আরও খবর:







