HomeScrollভারতের ৪ রহস্যময় শিব মন্দির, যেগুলি আজও বিষ্মিত করে বিজ্ঞানীদের
Mysterious Shiv Temples of India

ভারতের ৪ রহস্যময় শিব মন্দির, যেগুলি আজও বিষ্মিত করে বিজ্ঞানীদের

কোনও মন্দিরে বদলে যায় শিবলিঙ্গের রং, কোথাও দেখা যায় পাতাললোকের দরজা!

ওয়েব ডেস্ক: আজ মহাশিবরাত্রি (Maha Shivratri)। এই বিশেষ তিথিতে ভগবান শিবের (Lord Shiva) পূজার মাধ্যমে শিবের বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করা যায়। এই বিশেষ দিনে দেশজুড়ে নানা প্রাচীন শিবমন্দিরে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে। তার মধ্যে শিবের কয়েকটি মন্দির শুধু ধর্মীয় গুরুত্বেই নয়, রহস্যময় বৈশিষ্ট্যের কারণেও বিশেষভাবে পরিচিত। এই প্রতিবেদনে জেনে নেব এমন চার অলৌকিক শিব মন্দির (Mysterious Shiv Temples of India) সম্পর্কে, যেগুলির রহস্যের সমাধান আজও করা সম্ভব হয়নি।

অচলেশ্বর মহাদেব (রাজস্থান)

রাজস্থানের ধোলপুর জেলায় অবস্থিত অচলেশ্বর মহাদেব মন্দির বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্যের জন্য সুপরিচিত। এখানে স্থাপিত শিবলিঙ্গ দিনে তিনবার রঙ পরিবর্তন করে বলে বিশ্বাস ভক্তদের। সকালে সূর্যের আলো পড়লে শিবলিঙ্গটি লাল আভা ধারণ করে, বিকেলে দেখা যায় গেরুয়া রঙ, আর সন্ধ্যার পর সেটি ধীরে ধীরে অন্ধকার হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে এই ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত এর সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: একশো আট শিবমন্দির কেন গড়েছিলেন বর্ধমানের মহারানি? জানলে অবাক হবেন!

ছায়া সোমেশ্বর মন্দির (তেলঙ্গানা)

তেলঙ্গানার নালগোন্ডা জেলায় অবস্থিত ছায়া সোমেশ্বর মন্দির স্থাপত্যের এক অনন্য উদাহরণ। মন্দিরের গর্ভগৃহে থাকা শিবলিঙ্গ সর্বদা একটি স্তম্ভের ছায়ায় ঢাকা থাকে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, বাস্তবে শিবলিঙ্গের চারপাশে এমন কোনও স্তম্ভ নেই যা থেকে ওই ছায়া পড়তে পারে। এই রহস্য আজও গবেষকদের কৌতূহলের বিষয় হয়ে রয়েছে।

লক্ষ্মণেশ্বর মহাদেব (ছত্তিশগড়)

ছত্তিশগড়ের লক্ষ্মণেশ্বর মহাদেব মন্দির ‘লক্ষলিঙ্গ’ নামেও পরিচিত। এখানে শিবলিঙ্গের গায়ে লক্ষ লক্ষ ছোট ছোট গর্ত রয়েছে। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই গর্তগুলির মধ্যে একটি ‘পাতালের দরজা’। ভক্তরা যতই জল নিবেদন করুন না কেন, সেই গর্তটি কখনও পূর্ণ হয় না— জল মুহূর্তের মধ্যেই শোষিত হয়ে যায়। আবার আরেকটি গর্ত রয়েছে, যা প্রচণ্ড গরমেও জলে উপচে পড়ে বলে দাবি করা হয়।

হরিহরেশ্বর মন্দির (মহারাষ্ট্র)

মহারাষ্ট্রের সোলাপুরে অবস্থিত হরিহরেশ্বর মন্দির ভাস্কর্যের এক বিরল নিদর্শন। ১৯৯৯ সালে খননের সময় আবিষ্কৃত এই বিশাল শিবলিঙ্গটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২ মিটার এবং ওজন প্রায় ৪.৫ টন। এই শিবলিঙ্গে খোদাই করা রয়েছে ৩৫৯টি মুখ, যার প্রতিটির অভিব্যক্তি আলাদা। ইতিহাসবিদদের মতে, একাদশ শতাব্দীর এই শিল্পকর্ম শিব ও বিষ্ণুর ঐক্যবদ্ধ রূপকে উৎসর্গ করা।

দেখুন আরও খবর:

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News