HomeScrollপুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ৫ রহস্য, যা এখনও মানুষকে ভাবায়, অবাক করে বিজ্ঞানীদের
Mysteries Of Puri Jagannath Temple

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ৫ রহস্য, যা এখনও মানুষকে ভাবায়, অবাক করে বিজ্ঞানীদের

পুরীর মন্দিরের কোন রহস্য এখনও সমাধান করা যায়নি? জানলে চমকে উঠবেন

ওয়েব ডেস্ক: ভারতকে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক বিরাট ভাণ্ডার বললেও ভুল হবে না। এ দেশে এমন বহু মন্দির রয়েছে, যেগুলিকে ঘিরে রয়েছে নানা রহস্য ও অলৌকিক কাহিনি। সেই তালিকায় অন্যতম হল পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple), যা চারধামের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।

পুরাণ মতে, রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন প্রভু বিষ্ণুর আশীর্বাদ পেয়ে এই মন্দির নির্মাণ করেন। কথিত আছে, স্বপ্নাদেশে তিনি ‘নীল মাধব’-এর সন্ধান পান এবং তারই ফলস্বরূপ গড়ে ওঠে এই মহাতীর্থ। তবে ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি, জগন্নাথ মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে একাধিক রহস্য (Mystery Of Puri Temple), যা আজও মানুষের কৌতূহল জাগায়। চলুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক পুরীর মন্দিরের এই রহস্যগুলির সম্পর্কে।

আরও পড়ুন: ভারতের ৪ রহস্যময় শিব মন্দির, যেগুলি আজও বিষ্মিত করে বিজ্ঞানীদের

  • মন্দিরের চূড়ায় প্রতিদিন একটি লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়, যা আশ্চর্যজনকভাবে সবসময় বাতাসের বিপরীত দিকে উড়তে দেখা যায়। প্রতিদিন এক পুরোহিত কোনও নিরাপত্তা ছাড়াই প্রায় ২০০ ফুট উঁচু চূড়ায় উঠে এই পতাকা পরিবর্তন করেন, যা রীতিমতো বিস্ময়কর।
  • আরও একটি অদ্ভুত বিষয় হল, পুরীর মন্দিরটি সমুদ্র থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে হলেও মূল প্রবেশদ্বার পেরোতেই সমুদ্রের গর্জন যেন হঠাৎ করেই মিলিয়ে যায়। বাইরে বেরোলেই আবার সেই শব্দ শোনা যায়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, হনুমান এই মন্দির রক্ষা করেন এবং তাঁরই প্রভাবে সমুদ্রের শব্দ স্তব্ধ হয়ে যায়, যাতে প্রভু জগন্নাথ শান্তিতে বিশ্রাম নিতে পারেন।
  • মন্দিরের রান্না প্রণালীও কম বিস্ময়কর নয়। এখানে সাতটি মাটির পাত্র একটির উপর আরেকটি সাজিয়ে প্রসাদ রান্না করা হয়। প্রচলিত নিয়মের উল্টোভাবে, সবচেয়ে উপরের পাত্রের খাবার আগে সেদ্ধ হয়। আরও আশ্চর্যের বিষয়, যত ভক্তই আসুন না কেন, প্রসাদ কখনও ফুরিয়ে যায় না বা অপচয়ও হয় না—প্রতিদিন যেন নিখুঁত পরিমাণেই তা প্রস্তুত হয়।
  • স্থাপত্যের দিক থেকেও এই মন্দির রহস্যময়। কথিত আছে, দিনের কোনও সময়েই মন্দিরের ছায়া মাটিতে দেখা যায় না, যা আজও গবেষকদের ভাবিয়ে তোলে।
  • এছাড়া, জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার বিগ্রহগুলিও অত্যন্ত অনন্য। পাথর বা ধাতুর পরিবর্তে এগুলি তৈরি হয় নিম কাঠ দিয়ে। প্রতি ১২ থেকে ১৯ বছর অন্তর ‘নবকলেবর’ নামে এক গোপনীয় আচার পালনের মাধ্যমে এই বিগ্রহগুলি পরিবর্তন করা হয়, যা মন্দিরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য।

দেখুন আরও খবর:

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News