HomeScrollপরপর ব্যর্থতার পর বড় কামব্যাক ISRO-র, ‘নটি বয়’ GSLV-র হাত ধরে মহাকাশে...
ISRO

পরপর ব্যর্থতার পর বড় কামব্যাক ISRO-র, ‘নটি বয়’ GSLV-র হাত ধরে মহাকাশে EOS-05

EOS-05-কে সফলভাবে কক্ষপথে পাঠাল ISRO, জিওসিঙ্ক্রোনাস অরবিট থেকে এবার মিলবে একটানা নজরদারির সুবিধা

ওয়েব ডেস্ক : যখন অধিকাংশ দেশবাসী গভীর ঘুমে, তখন অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটায় চলছিল মহাকাশ জয়ের প্রস্তুতি। শুক্রবার ভোর ২টা ৫৫ মিনিটে সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে জিএসএলভি-১৭ (GSLV-F17) রকেটের উৎক্ষেপণ হয়। প্রায় ১৮ মিনিট পর ইওএস-০৫ (EOS-05) উপগ্রহকে নির্ধারিত সাব-জিওসিঙ্ক্রোনাস ট্রান্সফার অরবিটে সফলভাবে স্থাপন করে ইসরো (ISRO)।

ইওএস-০৫ (EOS-05) ভারতের প্রথম ইমেজিং স্যাটেলাইট, যা জিওসিঙ্ক্রোনাস অরবিট থেকে কাজ করবে। প্রায় ৩৬ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় চূড়ান্ত কক্ষপথে পৌঁছনোর পর উপগ্রহটি একটি নির্দিষ্ট বিস্তীর্ণ অঞ্চলের উপর দীর্ঘসময় ধরে নজর রাখতে পারবে। ফলে সাধারণ লো-আর্থ অরবিটের উপগ্রহের মতো শুধু নির্দিষ্ট সময় অন্তর ছবি নয়, আরও ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে।

আরও খবর : নকলের অভিযোগ জানাতে গিয়ে বিপদ, শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর হাত মুচড়ে দেওয়ার অভিযোগ, ১০ দিন পর মৃত্যু

এই উৎক্ষেপণের গুরুত্ব আরও বেশি কারণ ২০২১ সালে একই ধরনের GISAT-1/EOS-03 মিশন সফল হয়নি। পাশাপাশি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে PSLV-র ব্যর্থতার পর এটিই ছিল ইসরো (ISRO)-র জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাবর্তন। ইওএস-০৫-এর মাধ্যমে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগের নজরদারি, কৃষি ও পরিবেশ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি কৌশলগত পর্যবেক্ষণেও সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জিওসিঙ্ক্রোনাস কক্ষপথ থেকে বৃহৎ এলাকার উপর লাগাতার নজর রাখার ক্ষমতাই এই মিশনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য।

এই মিশনে জিএসএলভি এমকে-২ (GSLV Mk II)-র সাফল্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। একসময় ব্যর্থতার কারণে ইসরোর অন্দরেই যে রকেটকে মজা করে ‘নটি বয়’ বলা হত, সেই রকেটই এবার দেশের মহাকাশ কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করল। জিএসএলভি-১৭-এর সাফল্যের মাধ্যমে ফের প্রমাণিত হল, ব্যর্থতার ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতাই ISRO-র সবচেয়ে বড় শক্তি।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News